গৌতম মণ্ডল, গঙ্গাসাগর : ভোররাতে বিধ্বংসী আগুন গঙ্গাসাগরে। সাগরমেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের পরের দিনই বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ড। পুড়ে ছাই একাধিক অস্থায়ী ছাউনি। এদিন ভোররাতে ২ নম্বর স্নানঘাটে একাধিক অস্থায়ী ছাউনিতে আগুন দেখা যায়। মুহূর্তে আশেপাশের ছাউনিতে ছড়িয়ে পড়ে আগুন। ক্ষতিগ্রস্ত পুলিশ, তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর, সংবাদমাধ্যম এবং বজরং পরিষদের একাধিক অস্থায়ী শিবির। খবর যায় দমকলে। ঘটনাস্থলে পৌঁছায় দমকলের ২ টি ইঞ্জিন ও পাঁচটি ফায়ার ফাইটিং বাইক। ঘটনাস্থলে পৌঁছান সাগরের বিডিও কানাইয়াকুমার রায় সহ প্রশাসনের পদস্থ আধিকারিকরা।
বিস্তারিত...
পুণ্যার্থীদের জন্য এই যাত্রী শেডগুলি নয়। গঙ্গাসাগর মেলায় প্রতি বছর যারা প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকেন তাঁদের জন্য প্রতিবছরই এখানে অস্থায়ী ছাউনি তৈরি হয়। এর মধ্যে পুলিশের ছাউনি রয়েছে, সংবাদমাধ্যমের ছাউনি, তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের কর্মী ও আধিকারিকরা যেখানে থাকেন, সেই ছাউনি রয়েছে। এনজিওর কাজ করে যারা বজরং পরিষদ (যারা মূলত নিখোঁজদের খুঁজে দেন) এবং খাবারের ব্যবস্থা করে এরকম বেশকিছু ক্যাম্প রয়েছে ২ নম্বর স্নানঘাট বরাবর। আজ ভোর ৪টে থেকে সাড়ে ৪টে নাগাদ প্রথম একটি ছাউনিতে আগুন লাগে। মূলত প্লাস্টিক, বাঁশ দিয়ে ছাউনিগুলি তৈরি হয়।
সহজ দাহ্য হওয়ায় দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে। অস্থায়ী ছাউনিগুলি গ্রাস করে নেয় আগুন। মেলা উদ্বোধনের পর পরিকাঠামোগত সুযোগ-সুবিধা চালু হয়ে গেছে। তারপরেই আজ ভোররাত থেকে এই বিপত্তি। দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে। আধ ঘণ্টা থেকে ৪০ মিনিটের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে দমকলের ২ টি ইঞ্জিন ও পাঁচটি ফায়ার ফাইটিং বাইক। কিন্তু, ছাড়নিগুলি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন গঙ্গাসাগার পোস্টাল থানার পুলিশ, সাগরের বিডিও কানাইয়াকুমার রায় এবং অন্যান্য আধিকারিকরা।
নতুন বছরের শুরুতেই বড় উপহার দেন মুখ্যমন্ত্রী। গঙ্গাসাগরে মুড়িগঙ্গা নদীর উপর চারলেনের সেতুর শিলান্য়াস করেন মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়। ১ হাজার ৭০০ কোটি টাকা খরচ করে নতুন এই সেতু নির্মাণ করা হবে বলে ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। সূত্রের খবর, সেতু নির্মাণের জন্য ইতিমধ্যে ৮০ শতাংশ জমি অধিগ্রহণ হয়েছে। শীঘ্রই বাকি ২০ শতাংশ জমি অধিগ্রহণ হবে। 'এক্সট্রা ডোজ কেবল স্টেইড ব্রিজ'-এর আদলে তৈরি হবে এই সেতু। সেতুর প্রায় ৩ কিমি অংশ নদীর ওপরে থাকবে। IIT গুয়াহাটি ভূ কম্পন পরীক্ষা করেছে। উইন্ড টানেল টেস্টের কাজ করেছে IIT কানপুর। বিশেষ ভাবে মাটি পরীক্ষা হয়েছে।