দক্ষিণ ২৪ পরগনা, বাসন্তী : বাসন্তী থানা এলাকায় মাছের ভেড়ি থেকে অস্ত্র উদ্ধার। উদ্ধার ৩ টি বন্দুক, ২০ টি কার্তুজ ও দেড় কেজি বারুদ। উদ্ধার বোমা বাঁধার সুতলি ও অন্যান্য সরঞ্জাম। ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই অস্ত্র উদ্ধার করে বাসন্তী থানার পুলিশ। 'ওই মাছের ভেড়িকে গোপন ডেরা হিসেবে ব্যবহার করছিল দুষ্কৃতীরা', সম্ভবত, অস্ত্র মজুদ করা হচ্ছিল সেখানে, দাবি পুলিশের। 

Continues below advertisement

দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাসন্তী থানার মহেশপুর এলাকার একটি ফিশারি থেকে উদ্ধার হল তিনটি বন্দুক, ২০টি কার্তুজ, ১.৫কেজি বারুদ, বোমা বাঁধার সুতলী ও অন্যান্য সরঞ্জাম। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার সকালে ফিশারির পাশে সন্দেহজনক কিছু পড়ে থাকতে দেখেন কয়েকজন বাসিন্দা। কাছে গিয়ে তারা অস্ত্র ও বিস্ফোরক তৈরির সামগ্রী দেখতে পান। এরপরই বিষয়টি বাসন্তী থানার পুলিশকে জানানো হয়। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। এলাকা ঘিরে ফেলে তল্লাশি চালানো হয়। উদ্ধার করা হয় তিনটি আগ্নেয়াস্ত্র,বোমা তৈরির কাজে ব্যবহৃত সুতলি ও অন্যান্য সরঞ্জাম, পাশাপাশি বেশ কিছু তাজা গুলি। প্রাথমিকভাবে পুলিশের অনুমান, কোনও দুষ্কৃতী দল ওই ফিশারিকে গোপন ডেরা হিসেবে ব্যবহার করছিল অথবা সেখানে অস্ত্র মজুত করে রেখেছিল। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে বাসন্তী থানার পুলিশ। কে বা কারা এই অস্ত্র ও বিস্ফোরক সামগ্রী সেখানে রেখে গিয়েছে, তার খোঁজে তদন্ত চলছে। এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং স্থানীয়দেরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে মহেশপুর এলাকায়।বিজেপির অভিযোগ এই বন্দুক ও বোমা বাঁধার জিনিসপত্র তৃনমূলের।তাঁরা এলাকায় অশান্তি করার জন্য এই সমস্ত মজুত করেছে। 

Continues below advertisement

ভোটের পরেই বোমাবাজি, মুম্বই থেকে তৃণমূল নেতা গ্রেফতার। শিবপুরে বোমাবাজির পরেই বেপাত্তা, মুম্বই থেকে পাকড়াও। গতকাল রাতে ট্রানজিট রিমান্ডে হাওড়ায় নিয়ে আসা হয় অভিযুক্তদের। গ্রেফতার তৃণমূল নেতা শামিম আহমেদ, জামিল আখতার, আফতাব আনোয়ার। হাওড়ার প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলরের শামিমা বানোর স্বামী শামিম আহমেদ। মুম্বইয়ের দেবনারের আবাসনের ৮ তলার ফ্ল্যাট থেকে ৩জন গ্রেফতার। গত ৭ মে, ভোটের রেজাল্ট বেরোতেই গুলি-বোমা, ২ বিজেপি কর্মী আহত। 

আর্থিক প্রতারণা মামলায় ময়নাগুড়িতে গ্রেফতার তৃণমূল নেতা সহ তার স্ত্রী। অভিযুক্ত জেলা যুব তৃণমূলের প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক পাপন চাকলাদার। ধৃত তৃণমূল নেতার স্ত্রী স্বাস্থ্যকর্মী কাকলি চাকলাদার। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে তোলাবাজি, মারধর, জমি দখলের অভিযোগ।