রঞ্জিত হালদার, নরেন্দ্রপুর:  কিছুদিন আগে গণেশ পুজোর বিকেলে প্রকাশ্য রাস্তায় হয়েছিল ছিনতাই। এবার  নরেন্দ্রপুর থানা এলাকায়  একই রাতে পরপর দুই বাড়িতে চুরি হয়ে গেল। পুলিশ সূত্রে খবর,  খোয়া গিয়েছে  প্রচুর  নগদ ও সোনার গয়না। রাজপুর সোনারপুর পুরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের ঢালুয়া পাম্প হাউস এলাকার ঘটনা। একই রাতে দুটি বাড়িতে চুরির ঘটনায় আতঙ্কিত এলাকার মানুষ।

গয়না ও টাকা চুরি         

প্রথম ঘটনাটি ঘটে ঢালুয়া পাম্প হাউসের কাছে মেন রোড সংলগ্ন এলাকাতেই। সুব্রত ঘোষ নামক এক ব্যক্তি থাকতেন ভাড়া বাড়িতেই। সম্প্রতি অস্ত্রোপচার হয়েছে স্ত্রীর। তাই শ্বশুরবাড়িতে ছিলেন সুব্রত ঘোষ। সকালে বাড়িওয়ালার কাছ থেকে খবর পান যে তার বাড়ির দরজা খোলা। সঙ্গে সঙ্গে ফিরে আসেন তিনি। দেখেন, ভেতরের তিনটি আলমারিই ভাঙা। সুব্রত ঘোষের দাবি, সেখান থেকে খোয়া গিয়েছে নগদ প্রায় ২৫ হাজার টাকা। সেই  সঙ্গে পাওয়া যাচ্ছে না কানের দুল, নাকছাবি, আংটি মিলিয়ে প্রায় লক্ষাধিক টাকার সোনার গহনা। অভিযোগ, রান্নাঘরের সাঁড়াশি ও ছুরি ব্যবহার করে আলমারির লকার ভাঙা হয়।

বাড়ির তালা ভেঙে চুরি এক মহিলার বাড়িতেও

অন্যদিকে, সুব্রত ঘোষের বাড়ির পিছনের গলিতে ভাড়া থাকেন পাপিয়া চক্রবর্তী। তিনি পুরী বেড়াতে গিয়েছিলেন। ফিরে এসে দেখেন তাঁর বাড়িরও মেন গেটের তালা ভাঙা। ঘরের ভেতরে আলমারিতে চাবি লাগানো থাকলেও সেখান থেকেও উধাও হয়ে গিয়েছে ৫ হাজার টাকা । প্রায় ১ লক্ষ টাকার সোনার গহনাও খোয়া গিয়েছে।  ব্যক্তিগত সাজগোজের জিনিসপত্রও চুরি হয়ে গিয়েছে বলে দাবি মহিলার ।  পাপিয়া চক্রবর্তী বাড়ির সামনের সিসিটিভি ফুটেজে চোরেদের ঢোকার ছবিও ধরা পড়েছে। পুলিশ সেই ফুটেজ ট্র্যাক করছে। 

নরেন্দ্রপুর থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত চলছে এবং সিসিটিভি ফুটেজের সাহায্যে চোরদের চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে। স্থানীয় মানুষ নিরাপত্তা নিয়ে যথেষ্ট উদ্বিগ্ন।

কিছুদিন আগে হিন্দমোটরে সাঁতারু বুলা চৌধুরীর বাড়ি থেকে চুরি হয়ে যায় তাঁর বহুমূল্য পদক। পরে তা ফিরেও পান তিনি পুলিশি তৎপরতায়। এরপর কোন্নগরে এক নাট্য শিল্পীর ভাইয়ের বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটে । প্রশ্নের মুখে পড়ে উত্তরপাড়া থানার ভূমিকা। কোন্নগর পুরসভার ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের মাস্টার পাড়ার বাসিন্দা নাট্যশিল্পী অভিরূপ গুপ্ত। অভিযোগ,   তাঁর ভাইয়ের বাড়ি ফাঁকা থাকার সুযোগে পিছনের গেটের তালা ভেঙে চুরির ঘটনা ঘটে। আলমারি থেকে টাকাপয়সা, সোনাদানা খোয়া যায় বলে অভিযোগ করা হয়। চুরির পিছনে পরিচিত কারও হাত থাকতে পারে বলে পুলিশের অনুমান।