দক্ষিণ ২৪ পরগনা: কার্তুজ কাণ্ডে গ্রেফতার আরও ১। গ্রেফতার বসিরহাটের বাসিন্দা ফারুক মল্লিক। ধৃতের কাছ থেকে উদ্ধার ডবল ব্যারেল বন্দুক। জীবনতলায় ১৯০ রাউন্ড গুলি উদ্ধার, ধৃত বেড়ে ৫। 'ধৃত জীবনতলার বাসিন্দা হাজি রশিদ মোল্লার থেকে অস্ত্র কিনেছিল ফারুক', ডবল ব্যারেল বন্দুক কি বিবাদী বাগের দোকানের? খতিয়ে দেখছে STF.
কখনও খাস কলকাতায় উদ্ধার আগ্নেয়াস্ত্র। কখনও অস্ত্র সহ গ্রেফতার..। দিকে দিকে শ্যুটআউট..... অস্ত্র উদ্ধার। এই পরিস্থিতিতে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে শনিবার ভোরে দক্ষিণ ২৪ পরগনার জীবনতলা থানা এবং উত্তর ২৪ পরগনার মিনাখাঁ থানা এলাকার বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালায় বেঙ্গল STF. সূত্রের খবর, সেই তল্লাশিতে জীবনতলা থেকে উদ্ধার করা হয়। ১৯০টি তাজা 7.65mm পিস্তলের কার্তুজ। ৯টি বারো বোরের কার্তুজ এবং একটি বারো বোরের ডাবল ব্যারেল বন্দুক।
রাজ্য STF-এরর চাঞ্চল্যকর দাবি, রাজ্যের বিভিন্ন শুট আউটে ব্যবহৃত হচ্ছিল এই কার্তুজ। গ্রেফতার করা হয় শহরের নামী অস্ত্র-কার্তুজ দোকানের এক কর্মচারী ও তিনজন বেআইনি অস্ত্র ব্যবসায়ীকে।ধৃতদের মধ্যে নদিয়ার বাসিন্দা জয়ন্ত দত্ত কাজ করেন বিবাদী বাগের এই বিখ্য়াত বৈধ আগ্নেয়াস্ত্র ও কার্তুজ বিক্রির দোকানে। তার প্রেক্ষিতেই অস্ত্র-বিক্রির এই দোকানে পৌঁছয় পুলিশ।দীর্ঘক্ষণ দোকানে থাকা কার্তুজের হিসাব নেয় পুলিশ। তারপর রাত ৯টা নাগাদ এই দোকানটি সিল করে দেয় তারা।কিন্তু যে দোকান থেকে বৈধ অস্ত্র ও লাইসেন্সপ্রাপ্ত বন্দুকের জন্য় গুলি বিক্রি করা হয়, সেখান থেকে কী করে বেআইনি অস্ত্র কারবারীদের হাতে চলে গেল অর্ডিন্যান্স ফ্যাক্টরিতে তৈরি কার্তুজ? রাজ্য STF সূত্রে খবর, একের পর এক শ্যুটআউটের ঘটনায় তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, ব্যবহার করা হচ্ছে 7.65mm কার্তুজ। যা তৈরি হয় অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরিতে। কার্তুজের সূত্র ধরেই মেলে জীবনতলার নাম। বিরোধীদের পাল্টা জবাব দিয়েছে তৃণমূল। বৈধ অস্ত্র কিংবা লাইসেন্সপ্রাপ্ত বনদুকের জন্য় কার্তুজ এই ধরনের দোকান থেকে বিক্রি করা হয়। সরকারি সমস্ত বিধি মেনে চলে এই দোকানগুলি। প্রতিটার হিসাব থাকে। কিন্তু প্রশ্ন হল, এখান থেকে কার্তুজ কীভাবে দুষকৃতীদের হাতে চলে যাচ্ছে? কারা এই কাজের সঙ্গে যুক্ত?
(খবরটি সম্প্রতি ব্রেক করা হয়েছে। বিস্তারিত কিছুক্ষণ পরই দেওয়া হচ্ছে। একটু পরে রিফ্রেশ করুন। জেলা থেকে শহর, দেশ, বিদেশ, বিনোদন থেকে খেলা, বিজ্ঞান থেকে প্রযুক্তি সহ অন্যান্য সমস্ত খবরের আপডেটের জন্য দেখতে থাকুন এবিপি আনন্দ ও এবিপি লাইভ)