কলকাতা: দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলপিতে আক্রান্ত তৃণমূল নেতা, ভর্তি এসএসকেএমের ট্রমা কেয়ার সেন্টারে। কুলপির ব্লক যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি সামসুর আলম মীরকে মারধরের অভিযোগ দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। ২ জনকে মারধরের অভিযোগ, একজন ভর্তি এসএসকেএমে, অন্যজন ভর্তি কুলটি হাসপাতালে।
অতীতে, রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে একের পর পর হামলাকাণ্ডের ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। তা সে পাণিহাটি, ঝালদা হোক কিংবা বেলঘড়িয়া, এদের মধ্যে অন্যতম মালদাকাণ্ড। মালদায় তৃণমূলের দাপুটে নেতা ও জেলা সহ সভাপতি দুলাল সরকার খুনের ঘটনায়, বিহারের বাসিন্দা আরও এক শার্প শ্যুটারকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। ধৃত মহম্মদ আসরার বিহারের পূর্ণিয়ার বাসিন্দা। আর তাকে জেরা করেই উঠে এসেছিল চাঞ্চল্যকর তথ্য ! নতুন বছরের শুরুতে মালদার মহানন্দা পল্লিতে দুষ্কৃতীদের হাতে খুন হয়েছিলেন তৃণমূল নেতা দুলাল সরকার। কিন্তু কী হত, যদি এই দুষ্কৃতীরা দুলাল সরকারকে খুন করতে না পারত?
যদি কোনওরকমভাবে দুষ্কৃতীর হাত থেকে পালিয়ে যেতে পারতেন তিনি? পুলিশ সূত্রে দাবি, এখানেই প্ল্যান B রেডি ছিল ধৃত মহম্মদ আসরার। তদন্তকারীরা বলছেন, গোটা অপারেশন পর্বে ব্যাক আপ কিলারের ভূমিকায় ছিল মহম্মদ আসরার। দুষ্কৃতীরা যখন দুলাল সরকারকে তাড়া করে গুলি করছে, তখন আলাদা একটি বাইকে ছিল বছর বাইশের এই শার্প শ্যুটার।হামলাকারীরা ব্যর্থ হলে, আসরে নামত মহম্মদ আসরার। কারণ টোটোর শোরুমের বাইরে, রাস্তায় বাইক স্টার্ট করে দাঁড়িয়েছিল সে।
দুলাল সরকার খুনের পর ২ সপ্তাহের বেশি অতিক্রান্ত। তৃণমূলের জেলা সহ সভাপতি খুনের ঘটনায় গ্রেফতার হয়েছেন দলেরই টাউন সভাপতি নরেন্দ্রনাথ তিওয়ারি। কিন্তু পুলিশ ছবি প্রকাশ করে ২ লক্ষ টাকা করে পুরস্কার ঘোষণার পরেও, এখনও অধরা অন্যতম দুই অভিযুক্ত কৃষ্ণ রজক ওরফে রোহন এবং বাবলু যাদব। শুক্রবার মালদা গিয়ে SP অফিসে বৈঠক করেছিলেন রাজ্য পুলিশের DG রাজীব কুমার। কথা বলেন নিহত তৃণমূল নেতা দুলাল সরকারের স্ত্রী চৈতালি সরকারের সঙ্গে। আর তারপরেই তৃণমূল নেতা খুনের ঘটনায় গ্রেফতার হয়েছিল আরও এক শার্প শ্যুটার।
(খবরটি সম্প্রতি ব্রেক করা হয়েছে। বিস্তারিত কিছুক্ষণ পরই দেওয়া হচ্ছে। একটু পরে রিফ্রেশ করুন। জেলা থেকে শহর, দেশ, বিদেশ, বিনোদন থেকে খেলা, বিজ্ঞান থেকে প্রযুক্তি সহ অন্যান্য সমস্ত খবরের আপডেটের জন্য দেখতে থাকুন এবিপি আনন্দ ও এবিপি লাইভ)