দক্ষিণ ২৪ পরগনা: দক্ষিণ ২৪ পরগনার নোদাখালিতে বছর ৪০-এর মহিলাকে নৃশংস খুনের অভিযোগ। রাস্তার ধার থেকে উদ্ধার করা হয়েছে মৃতদেহ। ইতিমধ্যেই ময়নাতদন্তের জন্য দেহ পাঠানো হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, মহিলার পোশাক অবিন্য়স্ত অবস্থায় ছিল। শারীরিক নির্যাতন হয়েছে কিনা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ঘটনায় জড়িত সন্দেহে গ্রেফতার স্থানীয় এক বাসিন্দা।
আরও পড়ুন, SIR আবহে ফাঁকা হয়ে গেছে একটা এলাকা, দক্ষিণ দমদম পুরসভায় তালাবন্ধ একের পর এক ঝুপড়ি !
সম্প্রতি দক্ষিণ ২৪ পরগনায় নাবালিকাকে ধর্ষণ ও নৃশংস খুনের অভিযোগ প্রকাশ্যে আসে। তার খুড়তুতো দাদাকে গ্রেফতার করল পুলিশ। অভিযুক্ত অপরাধের কথা স্বীকার করেছে বলে খবর পুলিশ সূত্রে। ঘটনায় আরও কেউ জড়িত কিনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। শিশু দিবসের দিন বিকেলে খেলতে গিয়েছিল আট বছরের ছোট্ট মেয়েটা। তারপরে আর বাড়ি ফেরেনি। পরিবারের সদস্যরা সারারাত খুঁজলেও হদিশ মেলেনি। পরের দিন ভোরে তাঁর ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার হয়। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় নাবালিকাকে ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগ তারই খুড়তুতো দাদাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে খবর, অভিযুক্ত প্রথমে পুরো বিষয়টি অস্বীকার করলেও টানা জেরার মুখে ভেঙে পড়ে। বোনকে ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগ স্বীকার করে খুড়তোতো দাদা। ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিতুন দে বলেন, চকোলেটের লোভ দেখিয়ে নাবালিকাকে নিয়ে যাওয়া হয়, যেহেতু আত্মীয় নাবালিকা চলে যায়। ধৃতকে হেফাজতে রেখে দ্রুত তদন্ত শেষ করে দ্রুত চার্জশিট জমা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে মামলার নিষ্পত্তি দ্রুত সম্ভব হয়। অভিযুক্তর পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেয় ডায়মন্ড হারবার মহকুমা আদালত। সঙ্গে আরও কেউ ছিল কিনা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।
কিছুদিন আগে শ্যামপুকুরে গৃহবধূকে খুন করে থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণের একটি ঘটনা প্রকাশ্যে আসে। এরপর গৃহবধূ পূজা পুরকায়েতকে হাসপাতালে নিয়ে যায় শ্বশুরবাড়ির লোকেরা। শরীরে আঁচড়, অস্বাভাবিক মৃত্যু বলে মনে হচ্ছে, পুলিশকে জানিয়েছিল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তদন্তে নেমে গৃহবধূর শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে , তাঁর স্বামীর হাতে লেখা নোট উদ্ধার করে পুলিশ। ময়নাতদন্তের পর জানা যায় শ্বাসরোধ করে খুন করে হয়েছে গৃহবধূকে। স্ত্রী-র বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক আছে, এই সন্দেহে খুন করা হয়েছে পূজা পুরকায়েতকে, খবর আসে পুলিশ সূত্রে।
বাগবাজারের স্ত্রীকে খুনের পর থানায় গিয়ে আত্মসমর্পন করেন নিহতের স্বামী! পুলিশ সূত্রে দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে নিহতের স্বামী দাবি করেন, সম্প্রতি বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন স্ত্রী। সেই নিয়ে অশান্তি চলছিল তাঁদের মধ্য়ে। শুক্রবার তা চরমে পৌঁছতেই এই ঘটনা ঘটিয়েছিলেন তিনি। পরিকল্পনা ছিল স্ত্রীকে খুনের পর গোটা ঘটনা আত্মহত্য়া বলে ধামাচাপা দেওয়ার। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি!
শেষ পর্যন্ত থানায় গিয়ে আত্মসমর্পন করেন নিহতের স্বামী!বাগবাজারের এই ঘটনা ঘিরেই এখন শোরগোল পড়ে গিয়েছিল এলাকায়। নিহত বছর ২৪-এর পূজা পুরকাইত। তাঁর স্বামীর নাম সুমিত পুরকাইত। পুলিশ সূত্রে দাবি, সঞ্জিবনী হাসপাতালে পূজা পুরকাইতকে অচৈতন্য় অবস্থায় নিয়ে আসা হয়। হাসপাতাল সূত্রে দাবি, মৃত অবস্থাতেই এই গৃহবধূকে আনা হয়েছিল। এখানেই শেষ নয়, দেখা যায় মৃতের শরীরে একাধিক আঁচরের দাগ রয়েছে। সন্দেহ হওয়ায় হাসপাতালের তরফে খবর দেওয়া হয় শ্য়ামপুকুর থানায়।
পুলিশ এসে মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য় পাঠায়। অন্য়দিকে, নিহত পূজা পুরকাইতের শশুরবাড়িতে পৌঁছয় পুলিশের একটি দল। সেখানেই মেলে একটি নোট। যাতে লেখা ছিল, 'আমাদের মৃত্য়ুর জন্য় কেউ দায়ী নয়'। তদন্তকারীদের দাবি, এই নোট দেখেই তাঁদের সন্দেহ হয় যে, এই চিঠিটি পূজার লেখা নয়। এরপর চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসে রবিবার। পুলিশ সূত্রে দাবি, ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে জানা যায়, শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়েছে গৃহবধূকে।