গৌতম মণ্ডল,  দক্ষিণ ২৪ পরগনা: নয়ানজুলি বুজিয়ে বেআইনি ভাবে তৃণমূল সাংসদের কার্যালয় তৈরির অভিযোগ, মথুরাপুরের তৃণমূল সাংসদ বাপি হালদারের অফিস ভাঙচুর। তৃণমূল সাংসদ বাপি হালদারের অফিস ভাঙচুর গ্রামবাসীদের। তৃণমূল সাংসদের অফিস থেকে উদ্ধার প্রচুর ত্রাণ সামগ্রী। মথুরাপুরের বিজেপি কর্মী বলেন, আমরা আমাদের হিসেব বুঝে নিতে চাই। ' 

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, কাল রাজ্য মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণ, থাকছে বড় চমক, এক্স পোস্টে কী জানালেন মুখ্যমন্ত্রী ? সম্প্রসারিত মন্ত্রিসভায় কারা থাকতে পারেন ?

Continues below advertisement

তৃণমূল সাংসদের অফিস থেকে উদ্ধার প্রচুর ত্রাণসামগ্রী,ক্ষোভের বিস্ফোরণ, বিদ্রোহের ঢেউ আছড়ে পড়ল কার্যালয়ে

মথুরাপুরের তৃণমূল সাংসদ বাপি হালদারের অফিসে চলল ভাঙচুর। নয়ানজুলি বুজিয়ে বেআইনি ভাবে তৃণমূল সাংসদের কার্যালয় তৈরির অভিযোগে তৃণমূল ভাঙচুর চালাল উত্তেজিত জনতার। তৃণমূল সাংসদের অফিস থেকে উদ্ধার প্রচুর ত্রাণসামগ্রী। ক্ষোভের বিস্ফোরণ, বিদ্রোহের ঢেউ আছড়ে পড়ল তৃণমূল সাংসদের কার্যালয়ে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার মথুরাপুরে তৃণমূল সাংসদ বাপি হালদারের কার্যালয়ে তালা ভেঙে ঢুকে পড়লেন বিজেপি কর্মী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ। চলল ভাঙচুর। উঠল স্লোগান। 

"এখানে দিনের পর দিন একটা অবৈধ বিল্ডিং গড়ে উঠেছে ..উদ্ধার করা হয় ত্রাণের সামগ্রী" মথুরাপুর  বিজেপি কর্মী বলেন, এখানে দিনের পর দিন একটা অবৈধ বিল্ডিং গড়ে উঠেছে যে PWD-র অধীনে। চারতলা বিল্ডিং গড়ে উঠেছে। তালা ভেঙে তৃণমূলের কার্যালয় থেকে উদ্ধার করা হয় ত্রাণের সামগ্রী। অভিযোগ, মথুরাপুরের কৃষ্ণচন্দ্রপুর পঞ্চায়েতের সামগ্রী বেআইনিভাবে মজুত করা হয় তৃণমূল কার্যালয়ে। মথুরাপুরের বাসিন্দা মিতা হালদার বলেন, আমাদের মেশিন, এই স্য়ানিটাইজার, এই মেশিন অবৈধভাবে উনি ওর পার্টি অফিসে রেখে দিয়েছে।  বেআইনি। আমরা কিছু বলতে পারিনি। ওদের ক্ষমতা ছিল।  এর মধ্যে আমাদের স্য়ানিটাইজার মেশিন আছে, ছাতুর মেশিন আছে, ধান মেশিন আছে, কত ত্রিপল আছে। আমরা সেগুলো সব নেব।'

ঘটনাস্থলে পৌঁছয় মথুরাপুর থানার পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী, বিক্ষোভকারীদের হঠাতে লাঠিচার্জ করে পুলিশ

মথুরাপুরের বিজেপি কর্মী  টুলুরানি হালদার বলেন, আমাদের এই জনরোষ অনেকদিন থেকে। আমাদের মেশিন আছে। আমরা আমাদের হিসেব বুঝে নিতে চাই। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় মথুরাপুর থানার পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী। বিক্ষোভকারীদের হঠাতে লাঠিচার্জ করে পুলিশ। এরপর রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন স্থানীয়রা। প্রায় ঘণ্টাখানেক পর প্রশাসনের হস্তক্ষেপে স্বাভাবিক হয় পরিস্থিতি।