কলকাতা: আজই শপথ নিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আর এবার তাঁর অ্যাডভাইজার হলেন সুব্রত গুপ্ত। জারি হওয়া বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী নির্বাচন কমিশনের বিশেষ পর্যবেক্ষক থেকে নতুন মুখ্যমন্ত্রীর পরামর্শদাতা হচ্ছেন তিনি। এদিন, নতুন মুখ্যমন্ত্রীর ও তাঁর মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানেও উপস্থিত ছিলেন সুব্রত গুপ্ত।

Continues below advertisement

আরও পড়ুন: 'অনেক দায়িত্ব, এখন একে অপরের সমালোচনা করার সময় নয়, আমরা করব জয়', রবীন্দ্রজয়ন্তীতে কেন শপথ গ্রহণ, জানালেন শুভেন্দু অধিকারী

SIR বা স্পেশাল ইন্টেনসিভ রিভিশনের সময় থেকে পশ্চিমবঙ্গের বিশেষ পর্যবেক্ষক ছিলেন সুব্রত গুপ্ত। এরপরও নির্বাচনের সময় তাঁর ভূমিকা বদলেছে। যদিও, সব ভূমিকাতেই সফল হয়েছিলেন সুব্রত গুপ্ত। আর এবার রাজ্য ও রাজ্যের মানুষ দেখতে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রীর বিশেষ অবজারভার হিসাবে কেমন দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

Continues below advertisement

ইতিমধ্যেই এই বিষয়ে জারি হয়ে গিয়েছে নোটিফিকেশন। বিশেষ রোল অবজারভার হিসাবে পশ্চিমবঙ্গে এসেছিলেন সুব্রত গুপ্ত। SIR সফল করতে ছুটে বেড়িয়েছেন এক জেলা থেকে অন্য জেলায়। বারবার আলোচনায় সেই কারণেই উঠে এসেছে তাঁর ভূমিকা। এ ছাড়াও নির্বাচনের বিশেষ পর্যবেক্ষক হিসাবেও তাঁর উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রয়েছে। ভোট পূর্ববর্তী হিংসা ও ভোট হিংসা ঠেকাতে অত্যন্ত ভাল ভূমিকা নিয়েছিলেন তিনি।

আরও পড়ুন: 'পরিবর্তন প্রয়োজনীয় ছিল, উনি ভবানীপুরে যেভাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়েছেন...', শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে কী বললেন ড. নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায়?

বলা যায়, পর্যবেক্ষক হিসাবে সুব্রত গুপ্তর ভূমিকায় বেশ খুশিই হয়েছিল নির্বাচন কমিশন। তাঁকে যে দায়িতে দেওয়া হয়েছিল, সেই কাজে তিনি সফল হয়েছিলেন। আর তার পরই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নতুন উপদেষ্টা বা অবজারভার হচ্ছে সুব্রত গুপ্ত।

ইতিমধ্যেই শপথ গ্রহণের পর একের পর এক জায়গায় গিয়েছেন নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বৈঠকও করেন পুলিশ ও অন্যান্য আধিকারিকদের সঙ্গে। একের পর এক বিষয় ধীরে ধীরে জানা যাচ্ছে। কারা থাকবেন মন্ত্রীসভায়, কে হবে তাঁর উপদেষ্টা। আর তারই মধ্যে জানা গেল নতুন উপদেষ্টা হতে চলেছেন সুব্রত গুপ্ত।

উল্লেখ্য, এদিন শপথ গ্রহণের পর শ্যামপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের বাড়িতে গিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেখান থেকে বেরিয়ে কালীঘাটের কালী মন্দিরে তাঁর সঙ্গে ঘটে যাওয়া একটা অলৌকিক ঘটনার কথাও বলেন তিনি। শুভেন্দু বলেন তিনি কীভাবে বুঝেছিলেন কালীঘাটের মায়ের আশীর্বাদ তাঁর সঙ্গে রয়েছে। শুভেন্দুকে বলতে শোনা যায়, "কালীঘাটের মায়ের আশীর্বাদ আমার ছিল। কারণ, আমি যেদিন প্রথম প্রণাম করতে যাই, সেদিন মায়ের পা থেকে একটি পদ্মফুল আমার হাতে পড়েছিল। আমি সেদিনই বুঝেছিলাম মায়ের আশীর্বাদ আমাদের উপর আছে।"