নয়াদিল্লি: সব ঠিক থাকলে বিধানসভা নির্বাচনে বাকি আর কয়েক মাস। যদিও ভোটের উত্তাপ এখন থেকেই অনুভূত হচ্ছে রাজ্য রাজনীতিতে। আর সেই আবহেই বিধানসভায় বিজেপি বিধায়কদের বার্তা দিলেন রাজ্য বিজেপি-র প্রাক্তন সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। বর্তমান বিধায়কদের সকলের জিতে আসা চাই বলে জানালেন তিনি। (West Bengal BJP)

Continues below advertisement

বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর আহ্বানে বুধবার বিধানসভায় পৌঁছন সুকান্ত। সেখানে বিজেপি বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠক করেন। বিভিন্ন অঞ্চলের সমস্যা নিয়ে আলোচনা হয় যেমন, তেমনই কেন্দ্রীয় সরকারের কাছ থেকে কোন কোন বিষয়ে সাহায্য় প্রয়োজন, তাও বুঝে নেন সুকান্ত। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে সাফল্য পেতে হলে, আগামী কয়েক মাস কী ভাবে এগোতে হবে, সেই নিয়েও নির্দেশও দেওয়া হয় বিধায়কদের। (Sukanta Majumdar-Suvendu Adhikari)

সূত্রের খবর, শুভেন্দুকে পাশে নিয়ে বিজেপি বিধায়কদের বার্তা দেন সুকান্ত। সেখানে তিনি জানান, প্রত্যেক বিজেপি বিধায়ককে জিততেই হবে। প্রত্যেক বিজেপি বিধায়ককে আবারও ফিরে আসতে হবে বিধানসভায়। এদিন দুপুর ১২টা নাগাদ বিজেপি বিধায়কদের সঙ্গে ওই বৈঠক হয়।

Continues below advertisement

রাজ্য বিজেপি-র সভাপতি থাকাকালীন বিধানসভায় আসাযাওয়া ছিল সুকান্তর। কেন্দ্রে মন্ত্রী হওয়ার পরও বিধানসভায় এসেছেন। তবে এদিন সুকান্তর আগমন ঘিরে একেবারে সাজ সাজ রব ছিল। ফটকের বাইরে ‘স্বাগত’ পোস্টার ঝোলানো হয়। বৈঠকে যোগ দেন বিজেপি-র সিংহভাগ বিধায়কই। সুকান্ত এসে পৌঁছনোর আগে পৌঁছে যান শুভেন্দুও। 

বিধায়কদের সঙ্গে এই বৈঠক নিয়ে বিজেপি যদিও আনুষ্ঠানিক ভাবে কিছু বলেনি। বরং ‘বিজয়া’ বলেই দাবি করা হচ্ছে। যদিও সুকান্তকে বিধানসভায় আমন্ত্রণ জানানো নিয়ে শুভেন্দুর সঙ্গে তাঁর সমীকরণের প্রশ্নও উঠছে। সুকান্ত যখন রাজ্য বিজেপি-র সভাপতি ছিলেন, সেই সময় শুভেন্দু সম্পর্কে প্রকাশ্যে মন্তব্য় করেছেন তিনি। তবে শমীক ভট্টাচার্য রাজ্য বিজেপি-র সভাপতি হিসেবে দায়িত্বগ্রহণের পর পারস্পরিক সমীকরণে বদল চোখে পড়ছে বিজেপি-র অন্দরে। 

অন্য দিকে, আজই ভুয়ো ভোটার সংক্রান্ত নথি নিয়ে নির্বাচন কমিশনের দফতরে পৌঁছন শুভেন্দু। মোট ১৩ লক্ষ ২৫ হাজার নথি জমা দেন তিনি। শুভেন্দু দাবি, ভোটার তালিকায় একাধিক জায়গায় একের বেশি নাম রয়েছে। ৬৫ জন BLO তৃণমূলের হয়ে কাজ করছেন বলেও অভিযোগ তোলেন শুভেন্দু। কেন ওই BLO-দের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা হল না, প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধী দলনেতা। সেই নিয়ে তরজা শুরু হয়েছে।