বিজেন্দ্র সিংহ, নয়া দিল্লি : সুপ্রিম কোর্টে পিছিয়ে গেল I-PAC মামলার শুনানি । I-PAC কাণ্ডে ED-র মামলার শুনানি পিছিয়ে গেল। মঙ্গলবার পর্যন্ত পিছিয়ে গেল ED-র মামলার শুনানি। সোমবার রাতে সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী ও রাজ্য সরকার জানায়, 'ED-র তল্লাশিতে বাধা দেননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । ED-র অনুমতি নিয়েই পার্টি সংক্রান্ত নথি নিয়ে এসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী'। মঙ্গলবার ED হলফনামার জবাব দিতে সময় চেয়ে নেয়। তারপরই সুপ্রিম কোর্ট শুনানি পিছিয়ে দেয় পরের মঙ্গলবার পর্যন্ত। এই মামলার পরবর্তী শুনানি হতে পারে আগামী মঙ্গলবার অর্থাৎ ১০ ফেব্রুয়ারি । ED-র তল্লাশিতে বাধা দেননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, ED-র অনুমতি নিয়েই পার্টি সংক্রান্ত নথি নিয়ে এসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী, ইডির দাবি খারিজ করে সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা জমা দেওয়া হয় মুখ্যমন্ত্রী ও রাজ্য সরকারের তরফে। তারই উত্তর দেওয়ার জন্য ৭ দিন সময় দেওয়া হয়েছে।
কেন আজ হল না শুনানি?
গত ১৫ জানুয়ারি, সর্বোচ্চ আদালত সব পক্ষকে নোটিস জারি করে ২ সপ্তাহের মধ্য়ে হলফনামা জমা দিতে বলে। কিন্তু সূত্রের খবর, গত রবিবার ও সোমবার রাজ্য সরকারের তরফে হলফনামা দেওয়া হয়েছে। সেগুলির উত্তর দেওয়ার জন্য ED-র পক্ষ থেকে সুপ্রিম কোর্টের কাছে সময় চাওয়া হয়েছে। এই কারণেই মঙ্গলবার হল না শুনানি। প্রেক্ষাপট
গত ৮ জানুয়ারি, IPAC-এর কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়ি ও অফিসে ED-র তল্লাশির সময় দুই জায়গাতেই পৌঁছে গিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। লাউডন স্ট্রিটে তাঁকে সবুজ ফাইল-সহ বেরিয়ে আসতে দেখা যায়। একদিকে যখন মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় ED-র বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর এই অভিযোগ তুলেছিলেন, অন্যদিকে আদালতে পাল্টা চুরি-ডাকাতির চেষ্টার মতো অভিযোগ তোলা হয়েছে ED-র তরফে। এর আগে সুপ্রিম কোর্টে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা বলেন, ED-র কাছে তথ্য ছিল ঘটনাস্থলে প্রমাণ ও গুরুত্বপূর্ণ জিনিস রয়েছে। তারা (ED) স্থানীয় পুলিশকে বিষয়টি জানিয়ে সেখানে যায়। মুখ্যমন্ত্রী DG এবং DC-কে সঙ্গে নিয়ে সেখানে আসেন। তাঁরা সেখান থেকে জিনিসপত্রগুলো নিয়ে যান, যা চুরির মতো অপরাধের সামিল। এখন রাজ্য সরকারের তরফে দেওয়া হলফনামায় দাবি করা হয়েছে, ED আধিকারিকদের অনুমতি নিয়েই I-Pac-এর কর্ণধারের বাড়ি থেকে দলের নথিপত্র নিয়ে বেরিয়ে এসেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাহলে কাদের দাবি ঠিক?
আপাতত অপেক্ষা পরের সপ্তাহে মঙ্গলবার পর্যন্ত।
