কলকাতা: বছর পেরোলেই ছাব্বিশের ভোট। আর বছর শেষের মাসেই তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফের তীব্র কটাক্ষ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বলেন, 'আর চার-পাঁচ মাস এই লড়াই হবে। এবং একদম অন্তিম জায়গায় চলে এসেছে।  আর বেশি দিন আমাদের এই লড়াই দিতে হবে না।'

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, দল আমাকে নন্দীগ্রামে দাঁড়াতে বললে দাঁড়াব, দার্জিলিংয়ে দাঁড়াতে বললে দাঁড়াব, বললেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়

Continues below advertisement

সাংবাদিকের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, 'আমি ভাইপোর কথার উত্তর দেব না।ভাইপো যার আলোয় আলোকিত..পিসিকে আমি হারিয়েছি।আমি চাই ভবানীপুর ছেড়ে, মেটিয়াবুরুজ যাবেন না। মেটিয়াবুরুজ গেলে মিম বা আইএসএফ-কে দায়িত্ব নিতে হবে, আমি পারবো না তো, ভবানীপুরে থাকলে আমি ওনাকে হারাবো।' 

অপরদিকে, পাল্টা ফিরহাদ হাকিম বলেছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারাবার ক্ষমতা, শুভেন্দু অধিকারী কেন , অমিত শাহজি-মোদিজিরও নেই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তো আমার মাথার উপরে, আমাকে হারানোর ক্ষমতা এই বিজেপির টোটাল পার্টিটার নেই। কংগ্রেসের নেই, সিপিএম এর নেই। গর্ব করে বলছি। তার কারণ, মানুষের কাজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় করেন। তাই মানুষ আমাদের আশীর্বাদ করবে। সব জায়গায়.. নিভিয়ে নন্দীগ্রাম করা যায় না। কলকাতায় যাবে না।'

SIR-আবহে রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে। CEO দফতরে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী দাবি করলেন, ২৬, ২৭, ২৮ এই ৩ দিনের প্রত্যেকটা এন্ট্রিকে অডিট করতে হবে। অন্য়দিকে, ফিরহাদ হাকিম অভিযোগ করেছেন, পুরো ব্লক কে ব্লক উধাও হয়ে গেছে। ইলেকশন কমিশন এখন ম্যাজিশিয়ান হয়ে গেছে। ভ্যানিশ করে দিচ্ছে। প্রসঙ্গত, এসআইআর নিয়ে বিজেপি-তৃণমূলের মধ্য়ে চাপানউতোরের মধ্যেই সামনে এল এক চাঞ্চল্য়কর তথ্য়!

নির্বাচন কমিশনের পরিসংখ্য়ান অনুযায়ী, ফর্ম বিলি ও ডিজিটাইজ পর্ব চলাকালীন দেখা যাচ্ছে প্রায় ২ হাজার ২০৮ টি পোলিং স্টেশনের থেকে কোন ও ফর্ম ফেরত আসেনি। অর্থাৎ এইসব পোলিং স্টেশনে বিলি করা ও ডিজিটাইজ করা ফর্মের সংখ্যা এক। এই তালিকার শীর্ষে রয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা। ২ হাজার ২০৮ টি বুথের মধ্যে শুধু দক্ষিণ ২৪ পরগনাতেই রয়েছে ৭৬০ টি বুথ। এই নিয়ে জেলাশাসকদের কাছ থেকে রিপোর্ট তলব করেছে কমিশন।বিজেপি দাবি করছে, 'SIR'-এ গরমিল করে অবৈধ ভোটারের নাম রাখা হচ্ছে! অন্যদিকে তৃণমূল দাবি করছে বহু জায়গায় বৈধ ভোটারের নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে!কারও নিশানায় রাজ্য় সরকারের পদস্থ আমলা! তো কেউ আবার নির্বাচন কমিশনকে আক্রমণ করছেন!