কলকাতা : কথা মতো কাজ, আজ থেকেই জনতার দরবার শুরু করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সল্টলেকে বিজেপি দফতরে বসল মুখ্যমন্ত্রীর জনতার দরবার। মুখ্যমন্ত্রীকে নিজেদের অসুবিধার কথা জানাতে ভিড় জমান মানুষ। সকাল ১০টার কিছু আগে দলীয় দফতরে এসে পৌঁছন শুভেন্দু অধিকারী। লকেট চট্টোপাধ্যায়, শশী অগ্নিহোত্রীদের নিয়ে মানুষের অভাব-অভিযোগের কথা শোনেন মুখ্যমন্ত্রী।
অভাব-অভিযোগ জানাতে আসা এক মহিলা বলেন, "উনি যে আমাদের এই সময়টুকু দিয়ে আমাদের কথাটা শুনেছেন এটাতেই আমরা অনেক বেশি স্বস্তি অনুভব করছি। আমরা ইএসআই কন্ট্রাকচুয়াল এমবি স্কিমে স্টাফ নার্স। ২০১৯ সালের পর থেকে ওখানে কোনও পারমানেন্ট রিক্রুটমেন্ট নেই। এমতাবস্থায় ২০২৩ এবং ২০২৫ সালে যেভাবে পারমানেন্ট স্টাফ নার্সরা ইন্টারভিউয়ের মাধ্যমে, ডকুমেন্ট ভেরিফিকেশনের মাধ্যমে ঢোকেন, আমরাও সেরকমই ইন্টারভিউ উইথ ডকুমেন্ট ভেরিফিকেশন দিয়েই ঢুকেছি। ২০২৩ সাল থেকে আমরা নিরলসভাবে পারমানেন্ট স্টাফ নার্সদের মতোই ডিউটি করে যাচ্ছি। সম কাজে সম বেতন, সেটা আমরা পাচ্ছি না। ২০২৩ সাল থেকে আমাদের বেতন একই জায়গায় আটকে আছে। তাইজন্য আমরা অনুরোধ করেছি, যাতে উনি ব্যাপারটা দেখেন।" অপর একজন বলেন, "পজিটিভলি আশা রাখছি। খুবই আশা রাখছি। এর আগে অনেক জায়গায় আমরা বলার চেষ্টা করেছি। সেই সদুত্তর আমরা কোথাও থেকে পাইনি বলে আমরা আজ এখানে এসেছি। আমরা খুবই আশা রাখছি। ভাল লাগছে এখানে আসতে পেরে, বলতে পেরে। আমাদের কথাটা জানাতে পেরে।"
বিপুল জনাদেশ নিয়ে রাজ্যে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। এবার মানুষের প্রত্যাশা পূরণের পালা। সেইমতোই একে একে একাধিক পদক্ষেপ নিচ্ছে রাজ্যের নতুন সরকার। সেই তালিকায় রয়েছে জনতার দরবার। যেখানে সাধারণ মানুষের অভাব-অভিযোগের কথা শোনা হবে। উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের ( Yogi Adityanath) ‘জনতা দরবার’ রাজনৈতিক মহলে অনেক ধরেই অত্যন্ত চর্চিত। গোরক্ষপুর বা লখনউতে নিয়মিত সাধারণ মানুষের অভিযোগ ও সমস্যার কথা শোনেন যোগী আদিত্যনাথ। এবার সেই মডেলেই পশ্চিমবঙ্গে শুরু হল মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ( Suvendu Adhikari-) ‘জনতার দরবার’। এদিন সাধারণ মানুষের অভাব-অভিযোগ শোনেন তিনি। নতুন সরকারের অন্যতম জনমুখী উদ্যোগ হিসেবেই দেখা হচ্ছে এই কর্মসূচিকে। এর আগে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, তিনি সরাসরি সাধারণ মানুষের কথা শুনবেন। মানুষের অভাব-অভিযোগ শুনে দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করা হবে। Suvendu Adhikari at Janatar Darbar
