কলকাতা: মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর আজ প্রথম কলকাতা পুরসভায় শুভেন্দু অধিকারী। ২১ জুন আসছেন প্রধানমন্ত্রী, সেই উপলক্ষ্যে পুরসভায় অনুষ্ঠান। এদিন কলকাতা পুরসভার অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন একাধিক তৃণমূল কাউন্সিলররা। উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিম। উপস্থিত ছিলেন মালা রায়-সহ একাধিক। মালা রায়, ফিরহাদ হাকিমকে ধন্যবাদ জানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
সেই অনুষ্ঠান থেকেই পুরসভার ভোট নিয়ে বড় ঘোষণা শুভেন্দু অধিকারীর। এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'কলকাতায় ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাস করে ৬ মাসের মধ্যে ভোট হবে। ৭ ডিসেম্বরের মধ্যে কলকাতা পুরসভায় নতুন বোর্ড। আগামী ৬ মাসের মধ্যে কলকাতা পুরসভায় ভোট হবে। রাজ্য সরকার বাধ্য হয়েছে পুরসভায় প্রশাসক বসাতে। প্রশাসককে সহযোগিতা করার দায়িত্ব আপনাদের। পুরসভার কাজ কোনও অবস্থায় বন্ধ রাখা যায় না।'
আরও পড়ুন, বেড়ানোর বাজেট কম হোক বা বেশি....এবার পশ্চিমবঙ্গের পর্যটন নিয়ে বড় বার্তা মন্ত্রী শঙ্কর ঘোষের
শুভেন্দু অধিকারী বলেন, 'কলকাতা পুরসভাতে ২০১৭-তে শেষ এসেছিলাম। উন্নয়নের স্বার্থে কোনও পক্ষ নয়, সবাই একপক্ষ। এপক্ষ-ওপক্ষ নেই এখানে, সমস্ত দলের বিধায়করা এখানে এসেছেন। উন্নয়নের পক্ষে সকলে কলকাতা পুরসভার অনুষ্ঠানে এসেছেন'।
তিনি বলেছেন, 'মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে এখানে আসতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি। এই দফতরের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালকে ধন্যবাদ জানাই। বিশ্ব যোগ দিবস এবার কলকাতা পুরসভায় অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। গণতন্ত্রে মানুষ শেষ কথা বলে। ১৮ জুন আমি ভবানীপুর কেন্দ্রে থাকব। ১৯ জুন স্বচ্ছতার সঙ্গে হাফ ম্যারাথন করব। আমরা-ওরা নীতি ছেড়ে উন্নয়নের লক্ষ্যে কলকাতাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই'।
এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'আইনে সংস্থান ছিল নমিনেটেড বোর্ড করে দিতে পারতাম। সবাই মেয়র হতে চাইলে আমরা কিছু করতে পারি না। পুরসভার কাজ কোনও সময়েই বন্ধ করা যায় না। এবার বিধায়করাও সার্টিফিকেট ইস্যু করতে পারবে। আস্তে আস্তে বাঁধ ভেঙে গেছে, এখন বিরোধীদের সবাই আসছে। ডবল ইঞ্জিন সরকারের নীতি গ্রহণ করে নিলে কারও সঙ্গে বিরোধ নেই। কলকাতা পুরসভায় পুনর্বিন্যাস হওয়া উচিত। পুর প্রশাসককে বাড়তি সময় ধরে রাখা হবে না। ১২ বছর ধরে হাওড়া পুরসভায় ভোট হয়নি। ব্যতিক্রমী জায়গা ছাড়া যেখানে প্রশাসক আছে, সেখানে নির্বাচন করার পক্ষে রাজ্য সরকার। একজন বিধায়ক মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে চাইলে দল দেখব না। শুধু বেলেঘাটার বিধায়ককে দেখতে পাই নি, প্রাক্তন মেয়রকেও সম্মান দিয়েছি। যাঁরা আসবেন তাঁরা মূল স্রোতে থাকবেন, যাঁরা আসবেন না তাঁরা বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবেন। বুধবার সকালে গঙ্গার পাড় পরিষ্কার করব'।
