সমীরণ পাল, মধ্যমগ্রাম : শুভেন্দু অধিকারীর পিএ চন্দ্রনাথ রথ খুনের তদন্ত সিবিআইয়ের হাতে তুলে দিয়েছে রাজ্য। রাজ্যের অনুরোধে চন্দ্রনাথ রথ খুনের তদন্ত শুরু করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এজেন্সি। তদন্তভার নিয়েই মধ্যমগ্রামে ঘটনাস্থলে পৌঁছে গিয়েছে CBI। যেখানে নৃশংসভাবে চন্দ্রনাথ রথকে খুন করা হয়েছিল, সেখানে পৌঁছেছে তারা। নুমনা সংগ্রহ করা হচ্ছে। পুরো বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছেন সিবিআই আধিকারিকরা। এলাকার আশপাশের সি সি টিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হবে। সিবিআইয়ের ডিআইজি পঙ্কজ কুমার সিংয়ের নেতৃত্বে ৭ সদস্যের দল গঠন করা হয়েছে ঘটনার তদন্তে। 

Continues below advertisement

শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত সহায়ককে খুনের ঘটনায় ইতিমধ্যেই ভিনরাজ্য থেকে ৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। উত্তরপ্রদেশ থেকে পাকড়াও শার্প শ্যুটার রাজ সিং। বিহার থেকে রাজ্য পুলিশের সিট-এর জালে দুই অভিযুক্ত রাজ মিশ্র ও ভিকি মৌর্য। ধৃত ৩ জনকেই তুলে দেওয়া হবে সিবিআইয়ের হাতে। চন্দ্রনাথ খুনের জাল ছড়িয়ে রয়েছে বিভিন্ন রাজ্যে। সেই কারণে সিবিআইয়ের হাতে তদন্তভার তুলে দিয়েছে রাজ্য। খুনের মোটিভ ও নেপথ্যে কোন কোন মাস্টারমাইন্ড রয়েছে তা খুঁজে বের করবে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এজেন্সি।

চন্দ্রনাথ-হত্যা

Continues below advertisement

মুখ্য়মন্ত্রী পদে শুভেন্দু অধিকারীর শপথগ্রহণের ঠিক ৩ দিন আগে, গুলিতে ঝাঁঝরা করে দেওয়া হয়েছিল তাঁর আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথকে। সেই হত্যাকাণ্ডের ৪ দিনের মাথায় দুই রাজ্য থেকে গ্রেফতার করা হয় ৩ অভিযুক্তকে। ধৃতদের বিভিন্ন অপরাধের রেকর্ড রয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।

রবিবার রাতে উত্তরপ্রদেশের বালিয়ায় রাজ্য পুলিশের SIT-এর জালে ধরা পড়ে শার্প শ্যুটার রাজ সিং। অন্য ২ অভিযুক্ত ময়ঙ্ক রাজ মিশ্র, ভিকি মৌর্যকে পাকড়াও করা হয় বিহারের বক্সার থেকে। সোমবার কড়া নিরাপত্তায় ধৃতদের পেশ করা হয় বারাসাত আদালতে। রুদ্ধদ্বার শুনানি চলে। বাইরে কড়া পাহারা দিতে দেখা যায় RAF ও পুলিশ বাহিনীকে। সওয়াল-জবাব শেষে ধৃতদের ১৩ দিনের পুলিশ হেফাজতে পাঠায় বারাসাত আদালত। ২৪ মে ফের তাদের কোর্টে তোলা হবে।

এ প্রসঙ্গে বারাসাত আদালতের বিশেষ সরকারি আইনজীবী বিভাস চট্টোপাধ্যায় বলেন, "UP এবং বিভিন্ন পার্ট থেকে এদের আনা হয়েছে। এটা খুবই গোপন ব্যাপার এই মুহূর্তে। এখন কিছু বলতে পারব না। আমাদের তদন্ত আরও এগোলে পরে বলতে পারব। এটা হাইলি কনফিডেনশিয়াল। ৩ জনের জন্য আমরা পুলিশ হেফাজত চেয়েছিলাম। আমাদের আবেদন মঞ্জুর হয়েছে।"