কলকাতা: নবান্নে অন্নপূর্ণা যোজনার (Annapurna Yojana) ফর্মপ্রকাশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। প্রতিমাসে অন্নপূর্ণা যোজনার ৩ হাজার টাকা দেবে রাজ্য। 

Continues below advertisement

এদিন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, 'অন্নপূর্ণা যোজনা পেতে এই ফর্ম পূরণ করতে হবে। অন্নপূর্ণা যোজনায় মহিলারা পাবেন ৩ হাজার টাকা। যাঁদের ভারতীয় তালিকায় নাম নেই তাঁরা পাবেন না। লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের তালিকা নিয়ে ভুরি ভুরি অভিযোগ। আয়কর দিলে প্রকল্পের সুবিধা মিলবে না। CAA-তে আবেদনকারীরা এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন। সরকারি, আধা সরকারি চাকরি করলে এই সুবিধা পাবেন না। ভারতীয় ছাড়া কাউকে অন্নপূর্ণা যোজনার ভাতা নয়'। 

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'SIR-এ ট্রাইব্যুনালে আবেদনকারীরা প্রকল্পের সুবিধা পাবেন। লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের প্রাপকদের নাম অন্নপূর্ণা যোজনায় উঠে যাবে। আধারযুক্ত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে প্রতিমাসে ৩ হাজার টাকা ঢুকবে। অন্নপূর্ণা যোজনায় পরিচ্ছন্ন তালিকা হবে। ৯০ দিন এই প্রক্রিয়া চলবে। অনলাইন এবং অফলাইনে এই ফর্ম পূরণ করা যাবে। ১৫, ১৬ এবং ১৭ তারিখ জনকল্যাণ শিবিরে অফলাইনে ফর্ম পূরণের বিষয়ে সাহায্য করা হবে। এই ফর্ম পূরণের সঙ্গে সঙ্গে পরিবারের ডিটেলসও নেওয়া হবে যাতে কোনও অভিযোগ না ওঠে। যারা ন্যায্য তাঁরা যেন পায় সেই কাজ দেখতে হবে'। 

Continues below advertisement

আরও পড়ুন , অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার পেতে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে কী কী পরিষেবা রাখতে হবে? জুনের আগেই করতে হবে এই কাজ

যতদিন 'অন্নপূর্ণ যোজনা' চালু না হচ্ছে, ততদিন 'লক্ষ্মীর ভাণ্ডার' যাঁরা পেতেন, তাঁরা পাবেন। পরে ঝাড়াই-বাছাইয়ের মধ্যে দিয়ে যোগ্যদের দেওয়া হবে মাসে ৩ হাজার টাকা করে। মঙ্গলবার এই ঘোষণার পরপর বুধবার থেকেই নবান্ন থেকে নতুন প্রকল্পের ফর্ম বিলি চালু হবে। একইসঙ্গে শুরু হচ্ছে যোগ্য বাছাইয়ের কাজও।

মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, '১জুন থেকে প্রক্রিয়া ৯০ দিন পর্যন্ত চলবে। এখনই স্বাস্থ্যসাথী বন্ধ নয়, আয়ুষ্মান চালু হলে বন্ধ হয়ে যাবে। লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের তালিকা নিয়ে ভুরি ভুরি অভিযোগ। ২ কোটি ৯০ লক্ষ প্রাপক বর্তমানে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পান। তার মধ্যে ৩০ লক্ষ ভুয়ো বাদ যাবে। ১জুন থেকে ৯০ দিন পর্যন্ত এই প্রক্রিয়া চলবে। প্রত্যেকটা পুরসভাতে কাজ চলবে অনলাইন ও অফলাইন পদ্ধতিতে। ওয়ার্ডভিত্তিক অনুযায়ী কাজ হবে, বিধায়করাও সহযোগিতা করবেন। এনরোলমেন্ট হলে তবেই মিলবে অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা। লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের মত মহিলা বাদে অন্য কেউ যাতে এই প্রকল্পের টাকা না পায় সেই দিকে দেখতে হবে। কতজন এনরোলমেন্ট হলেন, প্রতি সপ্তাহে অগ্নিমিত্রা পাল জানাবেন। যাঁদের জন্য এই কর্মসূচি তাঁরা উপকৃত হবেন। প্রক্রিয়া শেষ করতে যে লক্ষ্যমাত্রা দিয়েছি তার আগেই শেষ হয়ে যাবে। পুরো প্রক্রিয়া শেষ হয়ে গেলে আমরা রাজ্য সরকারের ওয়েবসাইটে তুলে দেব'।