ভাস্কর মুখোপাধ্যায়, বীরভূম: কৌশিকী অমাবস্যায় ভিড় সামাল দিতে এবার কড়া সিদ্ধান্ত নিল তারাপীঠ মন্দির কমিটি। কৌশিকী অমাবস্যার সময় কোনও পুণ্যার্থীকে মন্দিরের গর্ভগৃহে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। মন্দিরের বাইরের বারান্দায় থাকবে মায়ের চরণ। সেখানেই প্রণাম করে মায়ের দর্শন ও পুজো দিতে পারবেন পুণ্যার্থীরা।
বুধবার রামপুরহাটের রক্তকরবী মঞ্চে কৌশিকী অমাবস্যা উপলক্ষে একটি প্রশাসনিক বৈঠকের আয়োজন করা হয়। বৈঠকে জেলা প্রশাসন, মন্দির কমিটি, হোটেল মালিক এবং বিভিন্ন দফতরের আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শেষে মন্দির কমিটির সভাপতি নিখিল বন্দ্যোপাধ্যায় সিদ্ধান্তগুলির কথা জানান।
তিনি বলেন, কৌশিকী অমাবস্যায় ভিভিআইপি, বিধায়ক, সাংসদ এবং মন্ত্রী—সকলের ক্ষেত্রেই গর্ভগৃহে প্রবেশের নিয়ম প্রযোজ্য হবে। কাউকেই গর্ভগৃহে ঢুকতে দেওয়া হবে না। তবে মন্দির কমিটির সম্পাদক পুলক চ্যাটার্জি জানিয়েছেন, ভিভিআইপিদের ক্ষেত্রে গর্ভগৃহে প্রবেশের নিয়মে কিছু পরিবর্তন করা হতে পারে।
আরও পড়ুন: বেড়েছে চিনির দাম, আর তারপরই লাগাম টানতে কদমতলায় যৌথ অভিযান এনফোর্সমেন্ট বিভাগ ও পুলিশের
পুণ্যার্থীদের সুবিধার জন্য মন্দিরে দুটি লাইনের ব্যবস্থা করা হবে। একটি থাকবে বিনামূল্যের লাইন এবং অন্যটি হবে ৫০০ টাকার লাইন। তবে ১০০০ বা ২০০০ টাকার কোনও বিশেষ লাইন থাকবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। কৌশিকী অমাবস্যায় বিপুল ভিড়ের কথা মাথায় রেখে মন্দির চত্বরে পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা রাখার কথাও জানিয়েছে মন্দির কমিটি।
অন্যদিকে, তারাপীঠ ও কলকাতার হোটেলে পরপর অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা। আর সেই ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার তৎপর জয়রামবাটির প্রশাসন। জয়রামবাটির হোটেল ও লজগুলোর অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা খতিয়ে দেখল প্রশাসন। দমকল, পুলিশ, ব্লক প্রশাসন ও বিদ্যুৎ দফতরের আধিকারিকেরা যৌথভাবে একের পর এক হোটেলে গিয়ে পরিস্থিতি পরিদর্শন করেন।
সম্প্রতি তারাপীঠ ও কলকাতার হোটেলে পরপর অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। আর তারপরই জয়রামবাটির হোটেলগুলির নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখার উদ্যোগ নেওয়া হয়। সেই মতো দমকল, কোতুলপুর থানার পুলিশ, কোতুলপুর ব্লকের প্রশাসনিক আধিকারিক ও বিদ্যুৎ দফতরের আধিকারিকেরা যৌথভাবে হোটেলগুলিতে পরিদর্শনে যান।
