কোচবিহার: পুরসভার পর এবার অনাস্থা জেলা পরিষদেও। কোচবিহারের তৃণমূল পরিচালিত জেলা পরিষদে এবার 'অনাস্থা'। জানা গিয়েছে জেলা পরিষদের সভাধিপতির বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব এনেছে তৃণমূলেরই একাংশ। একই সঙ্গে অনাস্থা নিয়ে আসা হয়েছে কোচবিহার জেলা পরিষদের সহ সভাধিপতির বিরুদ্ধেও।
আরও পড়ুন: বেড়েছে চিনির দাম, আর তারপরই লাগাম টানতে কদমতলায় যৌথ অভিযান এনফোর্সমেন্ট বিভাগ ও পুলিশের
কোচবিহার জেলা পরিষদে মোট ৩১ টি সিট রয়েছে। আর এই ৩১ জনের মধ্যে ১৭ জনই এই অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে এসেছে। বিক্ষুব্ধরা বলছেন, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উপর ভরসা রেখেই তারা জেলা পরিষদের সভাধিপতি ও সহ সভাধিপতির বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে এসেছেন।
কোচবিহার জেলা পরিষদের তৃণমূল সদস্য হিমানী ঈশ্বর বলেন, "আমরা সভাধিপতি ও সহকারী সভাধিপতির বিরুদ্ধে অনাস্থা নিয়ে এসেছি। অনেকদিন থেকে আমাদের জেলা পরিষদ অচলাবস্থায় পড়ে রয়েছে। কোনও কাজ হচ্ছে না। আমরা সবাই যারা এখানে জনপ্রতিনিধি রয়েছি, আমরা চাইছি এই জেলা পরিষদকে সচল করতে।"
তিনি আরও বলেন, বিজেপির সঙ্গে কোনও কথা হয়নি। তাঁরা নিজেরাই অনাস্থা নিয়ে এসেছেন। হিমানী ঈশ্বর বলেন, "২০ বা ২১ জনের মতো মানুষ একসঙ্গে অনাস্থা নিয়ে এসেছি। আজ ১৭ জন ছিল।"
উল্লেখ্য, রাজ্যে পালাবদলের পর পূর্ব মেদিনীপুরের ময়না বিধানসভার তমলুক ব্লকের নীলকুণ্ঠা গ্রাম পঞ্চায়েতের দখল চলে গিয়েছে বিজেপির হাতে। সব থেকে অবাক করে যে বিষয়, তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যদের সমর্থনেই নতুন প্রধান নির্বাচিত হয়েছেন বিজেপির কার্তিক জানা। তবে উপপ্রধান পদে আগের মতোই বহাল রয়েছেন তৃণমূলের দীপালি মণ্ডল।
