পার্থপ্রতিম ঘোষ, তারাতলা, কলকাতা : দুপুরে প্রবল ঝড়বৃষ্টির জেরে তারাতলায় একপ্রকার বাধ্য হয়েই সাময়িকভাবে বন্ধ হয়েছিল উদ্ধারকাজ। তবে বৃষ্টির দাপট একটু কমতেই ফের উদ্ধারকাজ শুরু করেছেন সেনাবাহিনী, এনডিআরএফ এবং অন্যান্যরা। যদিও নতুন করে বৃষ্টি শুরু হওয়ায়, উদ্ধারকাজের গতি কিছুটা বাধাপ্রাপ্ত হয়েছে, কমেছে। গ্যাসকাটার ব্যবহারের ক্ষেত্রে সমস্যায় পড়ছেন উদ্ধারকারীরা। যদিও হাইড্রোলিক ক্রেনের সাহায্যে বড় বড় চাঙড় সরিয়ে ভিতরে যাওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছেন উদ্ধারকারীরা। একাধিক দিক থেকে বাধা এলেও দুর্যোগের মধ্যেই উদ্ধারকাজ জারি রেখেছেন উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা। হাইড্রোলিক ক্রেনের সাহায্যে চাঙড় সরিয়ে ভিতরে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন এনডিআরএফ- এর কর্মীরা। ভিতরে মানুষের আটকে থাকার আশঙ্কা করা হচ্ছে। 

Continues below advertisement

নাগাড়ে বৃষ্টির জন্য উদ্ধারকাজে সমস্যা হচ্ছে। তবে ছাতা মাথায় হাজির রয়েছেন সেনাবাহিনীর জওয়ানরা। এনডিআরএফ- এর তরফে গ্যাসকাটার দিয়ে লোহা কেটে ভিতরে ঢোকার রাস্তা করা হচ্ছে। কিন্তু এই গ্যাসকাটার ব্যবহারের ক্ষেত্রে সমস্যা হচ্ছে। সেনাবাহিনীর জওয়ানরা একজায়গায় একত্রিত হয়ে আলোচনা করছেন তাঁরা। সেনাবাহিনীর সঙ্গে আলোচনায় রয়েছেন এনডিআরএফ- এর উদ্ধারকারী সদস্যরাও। আলোচনার মাধ্যমে তাঁরা এটাই ঠিক করতে চাইছেন যে, এই বৃষ্টির মধ্যেও কীভাবে সুষ্ঠু ভাবে উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাওয়া যায়, সেই বিষয়টা। তবে ক্রংক্রিটের উপরের লোহা কাটার জন্য গ্যাসকাটার ব্যবহার করতে কিছুটা সমস্যায় পড়তে হচ্ছে উদ্ধারকারীদের। দুপুর থেকে টানা বৃষ্টির জেরে তারাতলার দুর্ঘটনাস্থলে উদ্ধারকাজে একাধিক বাধা এলেও সেনাবাহিনী এবং এনডিআরএফ- এর তরফে উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে। 

নতুন করে বৃষ্টি শুরু, আরও দুর্যোগের সম্ভাবনা, কোন কোন জেলায় সতর্কতা জারি হাওয়া অফিসের ? 

Continues below advertisement

অন্যদিকে, দুপুর থেকে নাগাড়ে বৃষ্টির জেরে কলকাতার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা রয়েছে জলমগ্ন অবস্থায়। ট্রাফিকের চাপ সামলাতে বেগ পেতে হচ্ছে পুলিশকে। মূলত অফিস থেকে বাড়ি ফেরার সময় এখন, তার জেরে সব রাস্তাতেই গাড়ির চাপ বেশি। এদিকে রাস্তাঘাট জলমগ্ন থাকায় ক্রমশ বাড়ছে যানজট। তবে অনেক রাস্তাতেই জল নামানোর কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে ইতিমধ্যেই। কিন্তু আশঙ্কা ধরাচ্ছে একটাই বিষয় যে এখনও বৃষ্টি হচ্ছে, পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। আবার যদি বৃষ্টির দাপট বাড়ে তাহলে রাস্তাঘাটে জমা জলের পরিমাণও বাড়বে। তার জেরে তীব্র যানজটের তৈরির সম্ভাবনাও রয়েছে। ফলে ভোগান্তি হতে পারে নিত্যযাত্রীদের। এমনিতেই রাস্তাঘাটে এখন গণপরিবহণের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে রয়েছেন অফিস ফেরতা যাত্রীরা।