কমলকৃষ্ণ দে, বর্ধমান: চুরি তো হলোই, পাশাপাশি পেট ভরে মিষ্টি খেয়ে গেল চোর! ভাতার থানা এলাকায় এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। জানা যাচ্ছে, দেওয়াল কেটে পর পর ২টি দোকানে চুরি হয়েছে একই রাতে। পাশাপাশি ২টি দোকানে দুঃসাহসিক চুরি, নগদ টাকা, লক্ষাধিক টাকার ইলেকট্রিক সামগ্রী নিয়ে পালাল চোর। পাশাপাশি, মিষ্টির দোকানে চুরির পরে, চোরের দল খেয়ে গেল ল্যাংচা আর রসগোল্লা! ঘটনাটি ঘটেছে ভাতার থানা এলাকায় শিবদা বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকায়। পাশাপাশি ২টি দোকানে চুরির ঘটনা ঘটেছে। ২টি দোকানেই দেওয়াল কেটে প্রবেশ করেছিল চোরেরা।

Continues below advertisement

জানা যাচ্ছে, শিবদা বাসস্ট্যান্ড এলাকায়, ব্যবসায়ী দেবাশিস মন্ডলের ইলেকট্রিক সামগ্রী বিক্রির দোকানে গতকাল রাতে চুরির ঘটনা ঘটে। দোকানের পিছন দিকের দেওয়াল কেটে, লক্ষাধিক টাকার ইলেকট্রিক তার, ফ্যান, গিজার এবং নগদ কিছু টাকা চুরি করে নিয়ে চলে যায় চোরের দল, এমনটাই অভিযোগ ব্যবসায়ীর। এই দোকানের পাশেই রয়েছে, রাম ঘোষের দোকান। পেশায় তিনি একজন মিষ্টি ব্যবসায়ী। তাঁর অভিযোগ, দোকানে বেশ কিছু নগদ টাকা ছিল তাঁর। পাশাপাশি মজুত ছিল, ল্যাংচা আর রসগোল্লার মতো মিষ্টি। দোকানে ঢুকে নগদ টাকা নিয়ে পালায় চোরের দল, পাশাপাশি খেয়ে যায় রসগোল্লা আর ল্যাংচা।

একই রাতে, পাশাপাশি ২টি দোকানে চুরির ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। দোকান থেকে শুরু করে সাধারণ পরিবার, প্রত্যেকেই বাড়তি সতর্কতা নিচ্ছেন। যেহেতু চুরির এখনও কিনারা হয়নি, সেই কারণে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করছেন এলাকার মানুষ। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে ভাতার থানার পুলিশ। ঘটনায় শুরু হয়েছে তদন্ত।

Continues below advertisement

কিছুদিন আগে, এইরকমই অদ্ভুত একটি ঘটনা ঘটেছিল গুসকরায়। ঘটনাটি ঘটেছে গুসকরা পৌরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের আলুটিয়া সৎসঙ্গ মন্দির সংলগ্ন এলাকায়। পোস্ট অফিসের কর্মী রাণা বিশ্বাসের বাড়িতে এই চুরির ঘটনা ঘটে। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, রাণা বিশ্বাস ও তাঁর স্ত্রী কয়েকদিন আগে শ্বশুরবাড়ি গিয়েছিলেন। মঙ্গলবার তাঁদের বাড়ি ফেরার কথা ছিল। শনিবার বিকেলে রানার মা সীমা বিশ্বাস বাড়িতে তালা দিয়ে গুসকরা এলাকারই শান্তিপুরে নিজের বাপের বাড়িতে বেড়াতে যান। বাড়ি ফাঁকা থাকার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে, চোর বা চোরের দল বাড়ির দরজা ভেঙে ভিতরে ঢুকে পড়ে। দুটি ঘরের দুটি আলমারি ভেঙে সেখান থেকে স্বর্ণালঙ্কার সহ নগদ প্রায় ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা নিয়ে চম্পট দেয়। তবে এখানেই শেষ নয়, পরিবারের দাবি, শীতের সন্ধ্যায় চোরেরা ঘরের কম্বল পর্যন্ত নিয়ে গিয়েছে! ফলে গোটা ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের পাশাপাশি চর্চাও শুরু হয়েছে।