পার্থপ্রতিম ঘোষ ও অর্ণব মুখোপাধ্যায়, কলকাতা: তৃণমূল কাউন্সিলর অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওয়ার্ড অফিস ঘিরে বিতর্ক। বিজেপির দাবি, ওই অফিসে মিলেছে কলকাতা পুরসভায় নিয়োগের তালিকা। কলকাতা পুরসভার ১০৯ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল অফিস থেকে উদ্ধার হয়েছে ত্রাণের প্রচুর জিনিসও। ওই ওয়ার্ড অফিসের চাবি তাঁর কাছে থাকে না বলে দাবি করেছেন কাউন্সিলর অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়।

Continues below advertisement

আরওপড়ুন, ককরোচ জনতা পার্টির অভিজিৎ দীপকে-কে থাপ্পড় যুবকের

Continues below advertisement

বিজেপির দাবি, কলকাতা পুরসভার ১০৯ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল অফিস থেকে মিলেছে পুরসভায় নিয়োগের খাতাভর্তি তালিকা

কলকাতা পুরসভাতেও কি হয়েছে নিয়োগ দুর্নীতি? যোগ্যদের বদলে তালিকা তৈরি করে চাকরি দেওয়া হয়েছে তৃণমূল-ঘনিষ্ঠদের? এমনই জল্পনা উস্কে দিলেন মুকুন্দপুরের বিজেপি কর্মীদের একাংশ। বিজেপির দাবি, কলকাতা পুরসভার ১০৯ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল অফিস থেকে মিলেছে পুরসভায় নিয়োগের খাতাভর্তি তালিকা।মুকুন্দপুর বিজেপি কর্মী বলেন, আমরা এখানে পেয়েছি অনন্যা ব্যানার্জির নেতৃত্বে বিভিন্ন এলাকায় মিটিং হত। সেই মিটিংয়ে একটা তালিকা তৈরি হত যে কারা কারা কাজ পাবে এলাকায়। এখানে যে SWM বিভাগ আর হেলথ ডিপার্টমেন্ট পার্টির ছেলেদের ঢুকিয়েছে সম্পূর্ণ তালিকা এখানে আছে। 

'৮ জুনের পর থেকে আমি যাইনি, কর্পোরেশনের অফিসে ফাইলপত্র থাকবে কাগজপত্র থাকবে সেটা স্বাভাবিক', দাবি তৃণমূল কংগ্রেস কাউন্সিলর  অনন্যার

কলকাতা পুরসভার ১০৯ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কংগ্রেস কাউন্সিলর  অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন,ওটা কলকাতা কর্পোরেশনের অফিস। ৮ জুনের পর থেকে আমি যাইনি। কর্পোরেশনের অফিসে ফাইলপত্র থাকবে কাগজপত্র থাকবে সেটা স্বাভাবিক।  চাবিটা আমাদের কাছে নেই,  আমাদের কাছে ছিলও না। সুতরাং যাঁরা গেছে তাঁরা কার থেকে নিয়েছে, কী করেছে, কর্পোরেশনকে যোগাযোগ করতে হবে। কলকাতা পুরসভার ১০৯ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূলের এই অফিস যেন খাজানা। কোথাও পড়ে রয়েছে পেটি ভর্তি শাড়ি থেকে ত্রিপল। জমিয়ে রাখা হয়েছে সরকারি টাকায় কেনা আলো থেকে পাখা। এমনকী মিলেছে বহু দলিলও।

"একটা টোটো ভ্যানের মধ্যে মালপত্র নিয়ে যাচ্ছিল, দেখলাম বস্তা বস্তা শাড়ি পড়ে আছে ", কলকাতা পুরসভার ১০৯ নম্বর ওয়ার্ড বিজেপির সভাপতি কলকাতা পুরসভার ১০৯ নম্বর ওয়ার্ড বিজেপির সভাপতি  বাদল হালদার বলেন , একটা টোটো ভ্যানের মধ্যে মালপত্র নিয়ে যাচ্ছিল। দেখলাম বস্তা বস্তা শাড়ি পড়ে আছে। পেটি পেটি লাইট পড়ে আছে। ১৫-২০টা পাখা পড়ে আছে।  নথি পাচার হচ্ছে... ত্রাণসামগ্রী অল্প অল্প করে বার করছিল। সব মিলিয়ে তৈরি হয়েছে বিতর্ক।