কলকাতা: কলকাতা পুরসভার ৪২ নম্বর ওয়ার্ডের ধৃত কাউন্সিলর (TMC Councilor Arrested) মহেশ শর্মাকে ঘিরে উত্তেজনা। আদালত চত্বরে তৃণমূল-বিজেপি সমর্থকদের মধ্যে খণ্ডযুদ্ধ। 

Continues below advertisement

রাজ্যে সরকার বদলের পর থেকেই নতুন বিজেপি সরকার দুর্নীতি দমনে 'জিরো টলারেন্স' নীতি নিয়েছে। ভোট পরবর্তী হিংসা থেকে হুমকি, হুঁশিয়ারি, বিভিন্ন অভিযোগে তদন্ত চালাচ্ছে, গ্রেফতার হচ্ছেন একের পর এক অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা থেকে কাউন্সিলররা। সেই আবহেই গ্রেফতার হয়েছিলেন ৪২ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর মহেশ কুমার শর্মা। জালে ১০৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর অরিজিৎ দাস ঠাকুর। দুই দিনে মোট তিনজন তৃণমূল কাউন্সিলর এই নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগে গ্রেফতার হন।             

Continues below advertisement

তৃণমূল কাউন্সিলর মহেশ শর্মার বিরুদ্ধে তোলাবাজি, আর্থিক প্রতারণা, সিন্ডিকেট রাজ চালানোর মতো একাধিক অভিযোগ রয়েছে। গত বছর বড়বাজার থানায় তাঁর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়। পুলিশ মহেশকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। বুধবার রাতেই গ্রেফতারও হন তিনি। এরপরে আজ ব্যাঙ্কশাল আদালতে তাঁকে তোলা হয়। কোনও অনভিপ্রেত ঘটনা এড়াতে মহেশকে এদিন হেলমেট পরিয়ে প্রিজন ভ্যান থেকে আদালতের সামনে নামানো হয়।

আদালতে চত্বরে প্রিজন ভ্যানে করে মহেশ শর্মাকে আনতেই ধুন্ধুমার বেঁধে যায় তৃণমূল ও বিজেপি সমর্থকদের মধ্যে। অভিযুক্তকে কোর্টে তোলার সময় বিজেপি সমর্থকরা তাঁর উদ্দেশে 'চোর চোর' স্লোগান দিতে শুরু করেন। এরপরেই দুই শিবিরের সমর্থকদের মধ্যে হাতাহাতির পরিস্থিতি তৈরি হয়, ছেঁড়ে জামা, উত্তপ্ত হয় আদালত চত্বর। তবে তড়িঘড়িই সেখানে উপস্থিত পুলিশ আধিকারিকরা হস্তক্ষেপ করেন এবং কিছুক্ষণের মধ্যেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়।                       

আরও পড়ুন:- কোথাও হুমকি, তোলাবাজি, তো কোথাও মাদক ব্যবসায় জড়িত থাকার অভিযোগ, দিকে দিকে গ্রেফতার TMC নেতারা 

অপরদিকে, বিধানসভায় সই জালিয়াতিকাণ্ডে হবে হাতের লেখা যাচাই। হাতের লেখার নমুনা দিতে ব্যাঙ্কশাল কোর্টে হাওড়া মধ্যর তৃণমূল বিধায়ক অরূপ রায়। তবে তিনি একা নন, অরূপ রায়ের পাশাপাশি আরও তিন তৃণমূল বিধায়কের হাতের লেখার নমুনা সংগ্রহের জন্য কোর্টে আবেদন জানিয়েছিল CIDয বিধানসভায় তৃণমূল বিধায়কদের জমা দেওয়া চিঠিতে সই জালিয়াতি। সেই সই জালিয়াতিকাণ্ডে আগে একাধিক তৃণমূল বিধায়কের বাড়িতে গেছে CID। এবার অরূপ রায়রা আদালতে নমুনা দিতে এলেন।