কলকাতা : মঙ্গলবার, লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব এনেছে কংগ্রেস। সমাজবাদী পার্টি, RJD, DMK, CPM-সহ একাধিক দল তাতে সই করলেও, তৃণমূল করেনি। উল্টে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, "স্পিকারকে ২-৩ দিনের একটা সময় দেওয়া যেতে পারে।"  এতেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, কংগ্রেসের থেকে দূরত্ব বজায় রেখে কি বিজেপিকে বার্তা দিচ্ছে তৃণমূল? কিন্তু কী ভাবছে মানুষ? পশ্চিমবঙ্গের মানুষও কি ভাবছে, ভোটের আবহে কেন্দ্রের বিজেপিকে চটাতে চাইছে না তৃণমূল? সমঝোতা রেখেই চলছে? এই নিয়ে প্রশ্ন রাখা হয়েছিল 'সঙ্গে সুমন' - Poll এ। সেখান থেকেই উঠে এল মানুষের ভাবনার ঝলক।  

কী প্রশ্ন ? 

ABP Ananda - র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট সুমন দে, তাঁর ইউটিউব চ্যানেল সহ অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে পোল-প্রক্রিয়ার জন্য প্রশ্ন রাখেন - লোকসভার স্পিকারের বিরুদ্ধে বিরোধীদের অনাস্থায় নেই তৃণমূল, জ্ঞানেশ কুমারকে অপসারণে তৃণমূলের দাবিতে নিস্পৃহ কংগ্রেস। এর কারণ কি 'সেটিং' বলে মনে করছেন আপনি?  কী প্রতিক্রিয়া ইউটিউব চ্যানেলে ? এই প্রশ্নে ৮৩৬ টি প্রতিক্রিয়া এসেছে। আর তাতে সিংহভাগই সায় দিয়েছে  'সেটিং' - তত্ত্বে। 

হ্যাঁ  বলেছেন ৭৩%না বলেছেন ২২% জানি না / বলতে পারব না বলেছেন ৫
 
স্পিকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাবে স্বাক্ষর না করে কি কংগ্রেসের থেকে দূরত্ব বজায় রেছে বিজেপিকে বার্তা দিল তৃণমূল?  এই প্রশ্ন তুলেছে সিপিএম-ও। বাম নেতা  সুজন চক্রবর্তীও বললেন, 'আপনি বছরের পর বছর দেখবেন যে কোনও বিল, যখন সেটা একটু রাজনৈতিক কোনও একটা আগ্রহ থাকবে, বিশেষ করে বিজেপির , তখন আপনি তৃণমূলকে পাবেন না, আর কিছু না পারলে ওয়াকআউট করবে। যাতে বিজেপির সুবিধে হয়।' 
 
আর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, ' অনাস্থা প্রস্তাব আনার আগে, একটা চিঠি যৌথভাবে প্রত্যেকটা রাজনৈতিক দল, যারা INDIA জোটের শরিক, তারা সবাই মিলে সই করে, স্বাক্ষর করে একটা চিঠি লোকসভার স্পিকার বা অধ্যক্ষের কাছে জমা করুক। যদি বৃহস্পতিবারের মধ্যে কোনও সুরাহা না হয়, শুক্রবার অনাস্থা প্রস্তাব আনা হবে। কোনও অসুবিধা নেই।'             এখন মানুষ তৃণমূলের এই পদক্ষেপ নিয়ে কী ভাবছে, আদৌ এই পদক্ষেপ আম-আদমিকে প্রভাবিত করবে কি না , সেটাই দেখার।