পশ্চিম বর্ধমান: কলকাতায় বিধ্বংসী আগুনের দিনেই আরও এক অঘটন, এবার কাঁকসায় তুলোর দোকানে ভয়াবহ আগুন, অগ্নিদগ্ধ মহিলা। দমকলের ১টি ইঞ্জিনের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে। ধুপকাঠি থেকে আগুন ধরে যায় তুলোর দোকানে অনুমান দমকলের। দোকানে মজুত ছিল বিপুল পরিমাণে তুলোর বস্তা। পানাগড় ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি অগ্নিদগ্ধ মহিলা।
আরও পড়ুন, "ফের SIR-এর নোটিস এসেছে..", শোনার পরে যা হল মগরাহাটের বাসিন্দার !
প্রসঙ্গত, একইদিনে ভয়াবহ আগুন খাস কলকাতাতেও।আনন্দপুর যেন মৃত্য়ুপুরী! নাজিরাবাদে ২ টি গুদামে ভয়াবহ আগুন। ডেকরেটার্সের গুদাম থেকে আগুন ছড়ায় খাবারের গুদামে। পুড়ে, ঝলসে মৃত্য় হল, বেশ কয়েকজন কর্মীর। এখনও খোঁজ মেলেনি অনেকের। নিখোঁজ কর্মীদের আত্মীয়দের দাবি, গোডাউনের দরজা ছিল তালাবন্ধ। জেসিবি দিয়ে লোহার কাঠামো সরিয়ে, শুরু হয়েছে খোঁজ। ধিকিধিক জ্বলছে আগুন!কিন্তু পরিবারের সদস্য়দের বুকে সেই আগুনই জ্বলছে দাউ দাউ করে!যা আর কোনওদিন নিভবে না!ওরা আর কোনওদিন ফিরবে না।
আগুনে শেষ মানুষ!আগুনে শেষ গরীব পরিবার! একের পর এক ঝলসানো দেহ। চেনার উপায় নেই! মৃত্য়ু মিছিল। দিকে দিকে স্বজনহারাদের কান্না। কলকাতার বুকে ফের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড। আনন্দপুর যেন মৃত্য়ুপুরী! চির জীবনের মতো আনন্দ শেষ! মৃত্য়ুর কবলে জীবন! রবিবার রাতে EM বাইপাসের ধারে, আনন্দপুরের কাছে নাজিরাবাদে, ২টি গুদামে ভয়ঙ্কর আগুন লাগে। ২-২ টো গোডাউন গ্রাস করে ফেলে আগুনের লেলিহান শিখা। বাঁচার চেষ্টা করেও লাভ হল না। মৃত্য়ু হল, গোডাউনের ভিতরে থাকা একাধিক কর্মীর।
আগুনলাগার প্রায় ন'ঘণ্টা পর ঘটনাস্থলে যান মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস।সঙ্গে ছিলেন সোনারপুর উত্তরের তৃণমূল বিধায়ক ফিরদৌসি বেগম ও তাঁর স্বামী রাজপুর সোনারপুর পুরসভার চেয়ারম্যান ইন কাউন্সিল নজরুল আলি মণ্ডল। কিন্তু দমকলমন্ত্রী কোথায়? প্রশ্ন করতেই নিজের মতো ব্য়াখ্য়া দিলেন তিনি!বিদ্যুৎমন্ত্রী ও তৃণমূল বিধায়ক অরূপ বিশ্বাস বলেন, এখন দমকল ও পুলিশ যে তৎপরতায় কাজ করছে কেউ এলে তো কাজটা বন্ধ হয়। আগুন লাগার ১৩ ঘণ্টা পর ঘটনাস্থলে পৌঁছন স্থানীয় তৃণমূল সাংসদ সায়নী ঘোষ। যাদবপুরের তৃণমূল সাংসদ সায়নী ঘোষ বলেন, পরিবারের লোক, তারা স্বজনহারা এই মুহূর্তে কাজেই তারা যা বলবে সেটা আমরা মাথা পেতে নেব। কারণ তাদের ক্ষতি হচ্ছে সবথেকে বেশি।
দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু বলেন, "দমকলমন্ত্রীকে কি সবসময় স্পটে থাকতে হবে? দমকলমন্ত্রী আছে। জিজ্ঞেস করে দেখবেন, প্রথম যখন তিনটে তখন বিরোধী লোকেরা ঘুম থেকে উঠতে পারেনা। শুধু গেলেই তো হবে না। কাজটা করতে হবে। তাহলে ১২টা গাড়ি কী করে অর্গানাইজড হল? বিরোধীরা অনেক কথা বলে। কিছুদিন আগে অন্য রাজ্যে অনেক ঘটনা ঘটছে। ২৫-৩০জন মারা গেল। গোয়াতে মারা গেল। আরও বিভিন্ন জায়গায় মারা গেল। এসব নিয়ে সস্তার রাজনীতি করে বিরোধীদের লাভ নেই। আমাদের ডিউটি আমরা করছি।"