কলকাতা: সকাল ৮টা থেকে ৭৭টি কেন্দ্রে কাউন্টিং শুরু হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের মসনদে কে? কোন ফুলে আস্থা রাজ্যবাসীর? গেম চেঞ্জার হবে SIR? প্রাথমিক ট্রেন্ডে শ্যামপুকুরে এখনও পিছিয়ে আছেন শশী পাঁজা। 

Continues below advertisement

এদিকে আজ নেতাজি ইন্ডোরের গণনাকেন্দ্রে ঢোকার মুখে শ্যামপুকুরে তৃণমূল প্রার্থী শশী পাঁজাকে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে । তৃণমূলের কাউন্টিং এজেন্টদের নথিপত্র ফেলে দেওয়ার অভিযোগ তোলেন। 

এগারোর পর ছাব্বিশ, ১৫ বছর পরে ফের পালাবদল। দুই তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পথে বিজেপি। নিঃশব্দে পরিবর্তনের পক্ষেই রায় পশ্চিমবঙ্গের। বিজেপির কাছে তৃণমূলের পরপর হেভিওয়েট মন্ত্রীরা পিছিয়ে। ভবানীপুরে এগিয়ে মমতা, নন্দীগ্রামে এগিয়ে শুভেন্দু। বেলা গড়াতেই একের পর এক কেন্দ্রে পিছিয়ে তৃণমূল। সূর্যাস্তের পরেই খেলা ঘোরার দাবি তৃণমূলনেত্রীর।

Continues below advertisement

ভোটের রেজাল্ট আউট শুরু হতেই বিজয় উল্লাসে বিজেপি। কাজে এল না ডায়মন্ড হারবার মডেল! প্রত্যাবর্তন নয়, পালাবদলেরই পথে পশ্চিমবঙ্গ। ঝাড়গ্রাম, জলপাইগুড়ি, পঃ বর্ধমান, আলিপুরদুয়ারে ২ নম্বরে তৃণমূল। ৭ শতাংশেরও বেশি ভোট বাড়িয়ে নবান্নের কুর্সিতে বসার পথে বিজেপি। সুজিত, চন্দ্রিমা, শশী, দেবাশিস কুমার, ব্রাত্য থেকে অতীন-একের পর এক নেতাদের হার।  

কী বলেছেন মমতা?

'বাঘের বাচ্চার মতো লড়াই করব। সূর্যাস্তের পরে আমরাই জিতব। কেউ এলাকা ছাড়বেন না। SIR-এর নামে ভোট লুঠ করেছে বিজেপি। এখনও এমন সিট আছে, যেখানে আমরা এগিয়ে', ট্রেন্ডে বিজেপি এগিয়ে থাকার পরেই কাউন্টিং কর্মী-প্রার্থীদের বার্তা তৃণমূলনেত্রীর । 

কী বলছেন শমীক ভট্টাচার্য? 

গণনাপর্বে সরকার গঠনের ইঙ্গিত পেয়েই আত্মবিশ্বাসী বিজেপি। 'এই নির্বাচন লড়েছে রাজ্যবাসী, ব্যাটন আমাদের হাতে ছিল না। সরকার গড়ার ক্ষেত্রে আমরা প্রথম থেকেই আত্মবিশ্বাসী ছিলাম', গণনার প্রবণতার মধ্যেই মন্তব্য বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের।  

২০১১-এ ৩৪ বছরের বাম দুর্গকে সরিয়ে পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতায় বসে তৃণমূল। ১৫ বছরের তৃণমূল জমানায় প্রতিষ্ঠান বিরোধী হাওয়া ছিলই সেই হাওয়াই পাল তুলে ২৬-এ পরিবর্তনের স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করল বিজেপি। 

পরিবর্তনের দাপটে রাজ্যের ৯টি জেলাতে খাতাই খুলতে পারল না তৃণমূল। যার মধ্যে উত্তরবঙ্গের কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি, দার্জিলিং, কালিম্পং, দক্ষিণবঙ্গে শুভেন্দু অধিকারীর গড় পূর্ব মেদিনীপুরও খালি হাতে ফেরাল তৃণমূলকে। জঙ্গলমহলের দুই জেলা ঝাড়গ্রাম ও পুরুলিয়া বিরোধীশূন্য।