কলকাতা : 'যে সফ্টওয়্যার ব্যবহার হচ্ছে, তা যদি আর একটু মনোযোগ দিয়ে করা যেত, বারবার পরিবর্তন প্রয়োজন হত না।' মেনে নিলেন নির্বাচন কমিশনের স্পেশাল রোল অবজার্ভার সুব্রত গুপ্ত। তিনি বললেন, "আমাদের যে সফ্টওয়্যারটা ব্যবহার করা হচ্ছে এটা আর একটু মনোযোগ দিয়ে করা যেত। তাহলে বারবার যে পরিবর্তন সেই পরিবর্তনটার প্রয়োজন হত না যদি আমরা প্রসেসটা ক্যাপচার করতে পারতাম। তবে, এটাও ঠিক যে যত কাজটা এগিয়েছে তত নতুন নতুন সমস্যা সামনে এসেছে। আর নতুন নতুন সমস্যা যেগুলো এসেছে সেগুলোর সমাধান করার জন্য কিছু কিছু পরিবর্তন করতে হয়েছে। সময়ের যে সমস্যাটা আছে...আমাদের যেহেতু এখানে এপ্রিলের মধ্যে ভোট শেষ করতে হবে, এই অল্প সময়ের মধ্যে পুরো প্রক্রিয়াটা করতে গিয়ে আমার মনে হচ্ছে কিছুটা সমস্যা হচ্ছে।" 

Continues below advertisement

এ প্রসঙ্গে তৃণমূলের রাজ্য সহ সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, "সারা বাংলায় তো দেখতে পাচ্ছেন মানুষের কী মনোভাব। কী ক্ষুব্ধ, কী তাঁদের মধ্যে হতাশা। সকলকে একটা লাইনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে এই নির্বাচন কমিশন। এবার বলছেন সময় কম। সেটা প্রথম দিন থেকে আমরা বলে আসছি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলে এসেছেন। এবং প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেয়নি। আমি দায়িত্ব নিয়ে বলছি, আমাদের খবর এই অ্যাপ তৈরি করেছে বিজেপির পরামর্শদাতা যে সংস্থা। সেই সংস্থা তৈরি করে দিয়েছে। আর চোখ বুজে নির্বাচন কমিশন সেটাকে গ্রহণ করেছে। এটা ছিল বাংলার জন্যই এই অ্যাপ। বাংলার জন্য বিশেষ করে এই অ্যাপ বিজেপি তৈরি করে দিয়ে দিল, আর নির্বাচন কমিশন সেটা পরীক্ষা না করে লাগিয়ে দিল তার ফলে কোটি কোটি লোক হেনস্থা হল, বাধ্য হচ্ছে সেটা স্বীকার করতে। সত্যি ঘটনা বলেছে।"

যদিও বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা বলছেন, "এক একজন সফ্টওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারের এক এক রকম মত আছে। সেইজন্য উনি সর্বোচ্চ মতের অধিকারী, উনি গডফাদার...একথা মানার কোনও যৌক্তিকতা নেই। অতএব আমি মনে করি, যে বক্তব্যটা আসছে সেটা তৃণমূলের শেখানো বক্তব্য। কোনও কিছুই হত না, বারবার যদি তৃণমূল বাধাপ্রাপ্ত না করত। জটিলতা একটার পর একটা তৈরি করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। অন্য রাজ্যে কোনও জটিলতা তৈরি করছে না সরকার। যে কারণে অন্য রাজ্যে মসৃণভাবে সব হয়ে গেছে। সেখানে কোনও সফ্টওয়্যারে গন্ডগোল নেই। আর যত গন্ডগোল সব এখানে।"

Continues below advertisement