কলকাতা: রাজ্যে দুর্যোগের আশঙ্কা ! আজ উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ সহ বর্ষণের পূর্বাভাস রয়েছে। এই ঝড়-বৃষ্টির আশঙ্কা করা হচ্ছে মূলত কাল অবধি। তবে আজ ও আগামীকাল দক্ষিণবঙ্গে কোনও হলুদ সতর্কতা থাকছে না। যদিও আগের মতোই হলুদ সতর্কতা অব্যহত থাকছে উত্তরবঙ্গে।

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, সাত সকালে প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক সওকত মোল্লার বাড়িতে NIA-র হানা, কার্যালয়েও পৌঁছল কেন্দ্রীয় এজেন্সি

Continues below advertisement

দ্রুত বেগে এগোচ্ছে মৌসুমী বায়ু ? কোন পথে অগ্রসর হতে পারে ?

আইএমডি সূত্রে খবর, ৪ জুনের আশেপাশে দক্ষিণ পশ্চিম মৌসুমী বায়ুর আরও অগ্রগতির জন্য, অনুকূল পরিস্থিতি রয়েছে। এরফলে মৌসুমী বায়ু দক্ষিণ -পশ্চিম আর দক্ষিণ পশ্চিম আরব সাগরের আরও কিছু অংশে, লাক্ষাদ্বীপ দ্বীপপুঞ্জে, কেরল ও তামিলনাড়ুর কিছু অংশে, দক্ষিণ পশ্চিম, পশ্চিম মধ্য , পূর্ব মধ্য ও উত্তর পূর্ব বঙ্গোপসাগরের আরও কিছু অংশে এবং দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরের অবশিষ্ট অংশে অগ্রসর হতে পারে। 

দক্ষিণবঙ্গে আজও আগামীকাল বৃষ্টির পূর্বাভাস

হাওয়া অফিস জানিয়েছে, দক্ষিণবঙ্গে আজও আগামীকাল বৃষ্টির পূর্বাভাস। যদিও আগামী ৫ তারিখ অবধি দুর্যোগের পূর্বাভাস আগেই জানিয়েছিল আলিপুর আবহাওয়া দফতর। উত্তরবঙ্গের উপরের দিকে জেলা দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিংপঙ, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ারে ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। মূলত ভারী বর্ষণেরই হলুদ সতর্কতা জারি করেছে হাওয়া অফিস। ৪০ থেকে ৫০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই মুহূর্তে হলুদ সতর্কতার পাশাপাশি আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, ঝড়-বৃষ্টির সময় যাতে কোনওভাবেই বৈদ্যুতিক খুঁটি কিংবা গাছের তলায় না থাকতে। পাশাপাশি কোনও জলাশয়ের সংস্পর্শে না যেতে অনুরোধ করা হয়েছে।

বৃষ্টি ও তাপমাত্রা

মূলত জুন মাসে প্রবল গরমের আতঙ্ক সবার মনের মধ্যেই ঘুরছে। একদিকে জৈষ্ঠ মাসের গরমে ত্রাহিত্রাহি অবস্থা হয় বঙ্গবাসীর, এতো কথাতেই আছে। তবে ভরসা মৌসমী বায়ুর উপরেই। এখনও অবধি দক্ষিণবঙ্গে গরম পড়লেও বিগত বছরগুলির মতো রেকর্ড ভাঙা তাপপ্রবাহের ভোগান্তি শুরু হয়নি। সেদিক থেকে দেখতে গেলে, গতবছর প্রচুর পরিমাণে বৃষ্টি হয়েছিল, যা কিনা গত কয়েকবছরের রেকর্ডকে ভেঙে দেয়। যার জেরে তাপমাত্রারও তারতম্য হয়েছিল। সেদিক থেকে বলতে গেলে, চলতি বছরেও কমবেশি বৃষ্টি অবহ্যাত থাকলে, তাপপ্রবাহের হাত থেকে বাঁচা সম্ভব বলে গুঞ্জন চারিদিকে। যদিও এই বিষয়ে কিছু সেভাবে স্পষ্ট করে জানায়নি আলিপুর আবহাওয়া দফতর।