কলকাতা: ঝড়-বৃষ্টি আজও অব্যহত রাজ্যে। হলুদ সতর্কতা থাকছে আজও বাংলার একাধিক জেলায়। রবিবার সারাদিন মোটামুটি কমবেশি দুর্যোগের আশঙ্কা থাকছে উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায়।
আরও পড়ুন, "ভারতে লকডাউন..." ? এক্স হ্যান্ডলে জরুরি বার্তা পেট্রোলিয়াম মন্ত্রীর
বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে আজও একাধিক জেলায়, কেমন আবহাওয়া দক্ষিণবঙ্গে ?
IMD সূত্রে খবর, দক্ষিণবঙ্গে গতকাল হলুদ সতর্কতা থাকলেও আজ হলুদ সতর্কতা থাকছে না। তবে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে আজও একাধিক জেলায়। আগামীকাল ৩০ মার্চ ফের বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা থাকছে, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম এবং মুর্শিদাবাদে। আগামীকাল ৩১ মার্চ বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বর্ষণের পূর্বাভাস রয়েছে। তবে ১ এপ্রিলও দুর্যোগের আশঙ্কা রয়েছে। মূলত ঝাড়গ্রাম ও দুই মেদিনীপুরে বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা রয়েছে। তবে ২ এবং ৩ এপ্রিল আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে দক্ষিণবঙ্গে।
খোলা মাঠে না থাকতে, যখন প্রথমত খারাপ আবহাওয়া থাকবে
উপকূলবর্তী এলাকায়, ৪০-৫০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ায় আশঙ্কায় মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যাতায়াতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। আবহাওয়া দফতরের তরফে বলা হয়েছে, খোলা মাঠে না থাকতে, যখন প্রথমত খারাপ আবহাওয়া থাকবে। কারণ বজ্রপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। ঝোড়ো হাওয়ার জন্য মাটির বাড়ি ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে। এখানেই শেষ নয়, চাষের ক্ষেত্রেও ক্ষতি বয়ে আনতে পারে। পাশাপাশি দৃশ্যমানতা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাতেও প্রভাব ফেলতে পারে।
আজ উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস
অপরদিকে, আজ উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। ৩০ থেকে ৪০ কিমি বেগে বয়ে যেতে পারে ঝোড়ো হাওয়া। মূলত দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, কোচবিহারে এই দুর্যোগের পূর্বাভাস রয়েছে। হলুদ সতর্কতাও জারি করা হয়েছে। তবে দুর্যোগের আশঙ্কা থাকছে আগামী ১ এপ্রিল অবধি উত্তরবঙ্গে। ১ এপ্রিল ৪০ থেকে ৫০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ায় পূর্বাভাস রয়েছে। দার্জিলিং , জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ারে দুর্যোগের প্রবল আশঙ্কা রয়েছে। ২ এবং ৩ এপ্রিলেও ৫ জেলায় বর্ষণের প্রবল আশঙ্কা রয়েছে। এরপর দার্জিলিং , জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ারে শুষ্ক আবহাওয়া থাকবে।
আবহাওয়া দফতরের তরফে কী কী সতর্কতা মেনে চলতে বলা হয়েছে, দেখুন একনজরে
বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সময় নিরাপদ স্থানে আশ্রয় গ্রহণ করুন।
গাছ-বৈদ্যুতিক খুঁটি বা দুর্বল কাঠামোর নীচে আশ্রয় নেওয়া থেকে বিরত থাকুন।
প্রয়োজন অনুযায়ী যানবাহন চলাচল যথাযথভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যেতে পারে।
