ভাস্কর ঘোষ, হাওড়া: শনিবার রাতে বালি জুটমিল এলাকায় ভয়াবহ ঘটনা। স্বামীর হাতেই খুন হয়ে গেলেন স্ত্রী! ঘটনাটি ঘটেছে বালি জুটমিল এলাকায়। সূত্রের খবর, অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম জাভেদ, বয়স ৩৭ বছর। তিনি একজন জুটমিলের কর্মী। শ্রমিক মহল্লার ২০২ নং কোয়ার্টারে থাকতেন জাভেদ। সঙ্গে থাকতেন স্ত্রী ও ৩ নাবালক পুত্রসন্তান! পুলিশ সূত্রে খবর, হামেশাই নাকি তাঁদের মধ্যে অশান্তি হত। প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, মাঝে মাঝে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মারামারি পর্যন্ত হত। এদিন ও তেমন অশান্তি শুরু হয়েছিল। আর সেই অশান্তির মধ্যেই ঘটে যায় এই অপ্রিয় ঘটনাটা। 

Continues below advertisement

পুলিশ সূত্রে খবর, অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম জাভেদ, বয়স ৩৭ বছর। শ্রমিক মহল্লার ২০২ নং কোয়ার্টারে থাকতেন জাভেদ। সঙ্গে থাকতেন, স্ত্রী সাকিলা খাতুন এবং তিন নাবালক পুত্র সন্তান। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, হামেশাই তাঁদের মধ্যে অশান্তি হত। কখনও কখনও মারামারি পর্যন্ত হত। ঘটনার দিনও জাভেদ ঘরে ফেরার পরে অশান্তি শুরু হয় স্ত্রীয়ের সঙ্গে। ঝামেলা চলাকালীনই স্ত্রীকে জোরে ধাক্কা মারেন জাভেদ এবং দেওয়ালে ছিটকে পড়েন স্ত্রী। এর ফলে, তাঁর মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে। মাথার খুলি ফেটে রক্ত বেরতে শুরু করে বলেই অনুমান করছে পুলিশ। এরপরে খাটে জ্ঞান হারিয়ে লুটিয়ে পড়েন তিনি। তখনই তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে মনে করছেন পুলিশ।

পুলিশ ইতিমধ্যেই দেহ নিয়ে চলে গিয়েছে। পুলিশ মনে করছে, বিছানায় লুটিয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই মারা যান, সাকিলা খাতুন। মাথায় হঠাৎ আঘাত লাগা এবং তার থেকে প্রবল রক্তপাত হওয়ার কারণেই মৃত্যু হয়েছে জাভেদের স্ত্রীর। পরিস্থিতি গুরুতর বুঝতে পেরে, ৩ সন্তানকে নিয়ে থানায় চলে যান জাভেদ। সেখানে গিয়ে সমস্ত ঘটনা খুলে বলেন তিনি। অভিযুক্ত আরও জানান, মায়ের এই পরিস্থিতি দেখে ঘটনাস্থলে বলেই ৩ সন্তান কান্নাকাটি শুরু করে। জাভেদ ৩ সন্তানকে নিয়ে থানায় চলে যান। পুলিশকে সমস্ত কিছু খুলে বলেন। পুলিশকে সব খুলে বলার পরেই, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দেহ উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। এরপরে জাভেদকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। মর্মান্তিক এই ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দারা হতবাক। এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এখন পুলিশি হেফাজতেই রয়েছেন জাভেদ। তবে তিনি কেন হঠাৎ এমনটা ঘটালেন, সেই বিষয়ে মুখ খোলেননি অভিযুক্ত। 

Continues below advertisement