কলকাতা: রাজ্যে বিধানসভা ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা এখন সময়ের অপেক্ষা। এই আবহে বাংলার যুবসাথী প্রকল্প চালুর দিন আরও এগিয়ে এনেছে রাজ্য সরকার। শনিবার থেকেই আবেদনকারীদের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকতে শুরু করেছে। এর পাশাপাশি বর্তমানে এই প্রকল্পের অধীনে নতুন করে কোনো ফর্ম জমা নেওয়া হচ্ছে না। তাই যারা ইতিমধ্যেই ফর্ম পূরণ করেছেন, তারাই কেবল এই অনুদান পাচ্ছেন এবং পোর্টালের সুবিধা নিতে পারবেন।
যুবসাথী প্রকল্পের ক্ষেত্রে প্রায় ৮৪ লক্ষ আবেদন জমা পড়েছে। যারা সরাসরি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ডিজিটাল পদ্ধতিতে আবেদন করেছিলেন, তাদের তথ্য আগে থেকেই পোর্টালে মজুত রয়েছে। ফলে তাদের ভেরিফিকেশন দ্রুত সম্পন্ন হচ্ছে এবং তারাই প্রথম কিস্তির টাকা আগে পাচ্ছেন। তবে চিন্তার কিছু নেই, সূত্রের খবর, যারা বিভিন্ন ক্যাম্পে গিয়ে অফলাইনে কাগজের ফর্ম জমা দিয়েছেন, তাদের তথ্যগুলিকে ডাটা এন্ট্রি অপারেটরদের মাধ্যমে কম্পিউটারে তুলতে হচ্ছে। বিপুল সংখ্যক ফর্ম ম্যানুয়ালি এন্ট্রি করতে স্বাভাবিকভাবেই একটু বেশি সময় লাগছে।
পর্যায়ক্রমে অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে এমনটাই খবর।
তবে, যাচাইকরণ প্রক্রিয়ার সময় কিছু নির্দিষ্ট কারণে আবেদনকারীদের ফর্ম বাতিল বা সাময়িকভাবে পেন্ডিং রাখা হতে পারে। যেমন, নিয়ম অনুযায়ী বয়স একুশ থেকে চল্লিশ বছরের মধ্যে হওয়া বাধ্যতামূলক। বয়স সামান্য কম বা বেশি হলেও সিস্টেমে সেটি গ্রহণ করা হবে না। যদি কোনো ব্যক্তি আগে থেকেই লক্ষ্মীর ভাণ্ডার বা কৃষক বন্ধু প্রকল্পের সুবিধা পেয়ে থাকেন, তবে তিনি এই নতুন প্রকল্পের আওতাভুক্ত হতে পারবেন না। কিংবা পরিচয়পত্রের ত্রুটি থাকলেও ভেরিফিকেশনে বিলম্ব হতে পারে।
অফলাইন বা অনলাইনে ফর্ম জমা দেওয়ার পর স্টেটাস চেক করার কোনো অপশন ছিল না। সেই সমস্যার সমাধান করতেই যুবসাথী পোর্টালে একটি নতুন ট্র্যাকিং অপশন যুক্ত করা হয়েছে। বর্তমানে পোর্টালটি আপডেট হওয়ার কারণে আধার নম্বর দিয়ে তথ্য খুঁজতে গেলে একটি বার্তা ভেসে উঠছে, যেখানে লেখা থাকছে কয়েকদিন পর চেষ্টা করুন। অর্থাৎ, সিস্টেমটি পুরোপুরি কার্যকরী হতে আরও কিছুটা সময় লাগবে।
