হাওড়া: ভোটমুখী রাজ্যে ফের প্রকাশ্যে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। গতকাল হাওড়ার জগৎবল্লভপুরে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষ। তৃণমূলের স্থানীয় কার্যালয় ভাঙচুর, আটক ১। জগৎবল্লভপুরের চকশাহাদাতে এক অনুষ্ঠান চলাকালীন গন্ডগোল, দাবি স্থানীয় সূত্রে।

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, "টিকতে পারবেন না..", মোজতবা খামেনেই ইরানের সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত হতেই হুমকি ট্রাম্পের !

Continues below advertisement

স্থানীয় সূত্রে দাবি,'জগৎবল্লভপুর পঞ্চায়েত সমিতির তৃণমূল সভাপতি রঞ্জন কুণ্ডুর অনুগামীদের হামলা। তৃণমূলের সংখ্যালঘু সেলের সভাপতি শহিদুল মিদ্দের ওপর চড়াও। রঞ্জন কুণ্ডুর সামনেই শহিদুল মিদ্দের ওপর চড়াও তাঁর অনুগামীরা। আহত অবস্থায় শহিদুলকে উদ্ধার করে ভর্তি করা হয় জগৎবল্লভপুর গ্রামীণ হাসপাতালে রঞ্জন কুণ্ডুর বিরুদ্ধে অশান্তিতে উস্কানির অভিযোগ তৃণমূল পরিচালিত জগৎবল্লভপুর ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধানের। এরপরেই স্থানীয় তৃণমূল অফিসে ভাঙচুর চালানো হয়। ছিঁড়ে ফেলা হয় তৃণমূল অফিসের ব্যানার ও ফেস্টুন। ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয় বিশাল পুলিশ বাহিনী ও RAF। গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কথা অস্বীকার তৃণমূলের। 

সম্প্রতি তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষে রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়েছিল রাজারহাট, চলল গুলি! সব্যসাচী দত্তের অনুগামী ও তাঁর পরিবারের ওপর হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছিল, রাজারহাট নিউটাউনের তৃণমূল বিধায়ক, তাপস চট্টোপাধ্য়ায়ের অনুগামীদের বিরুদ্ধে। পাল্টা ওই পরিবারের বিরুদ্ধে এলাকায় আতঙ্কের পরিবেশ তৈরির অভিযোগ করছিলেন তৃণমূল বিধায়ক। যদিও, গোটা বিষয় থেকে দূরত্ব তৈরি করেছিলেন তৃণমূল নেতা সব্য়সাচী দত্ত। তৃণমূলের এই গোষ্ঠীকোন্দল নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিজেপি।

প্রথমে রাস্তায় ফেলে বীভৎস মার ,এরপর বাড়ির একতলায় ব্য়াপক ভাঙচুর, আরেকটি ভিডিওতে দেখা গিয়েছিল, বাড়ির সামনে আগ্নেয়াস্ত্র হাতে বেশ কয়েকজনের দাপাদাপি। শোনা যাচ্ছে গুলি চালানোর শব্দও! তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষে রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়েছিল রাজারহাট।  তৃণমূল পরিচালিত বিধাননগর পুরসভার চেয়ারম্য়ান, সব্য়সাচী দত্তর অনুগামীর ওপর মারাত্মক হামলার অভিযোগ উঠল, তৃণমূল বিধায়ক তাপস চট্টোপাধ্য়ায়ের অনুগামীদের বিরুদ্ধে। স্থানীয়রা বলছিলেন, ছবিতে যাঁর ওপর হামলা চালাতে দেখা যাচ্ছে তাঁর নাম আজাদ বাবা। তিনি সব্যসাচী দত্তের অনুগামী বলে পরিচিত। আক্রান্তের দাবি ছিল, ইদের দিন বাড়িতে সব্য়সাচী দত্তকে আমন্ত্রণ করেছিলেন। তাঁর বাড়ির নিচে তৃণমূলের পার্টি অফিসের উদ্বোধনও করেন বিধাননগর পুরসভার চেয়ারম্য়ান। অভিযোগ, সেই রোষেই রাজারহাট-নিউটাউনের তৃণমূল বিধায়ক তাপস চট্টোপাধ্য়ায়, তাঁর অনুগামীদের দিয়ে এই হামলার ঘটনা ঘটিয়েছেন। 

রাজারহাট-নিউটাউন  তৃণমূল বিধায়ক তাপস চট্টোপাধ্য়ায় বলেছিলেন,ওই পরিবার নিয়ে মানুষের ক্ষোভ-বিক্ষোভ ছিল। ক্লাবের মিটিং ছিল। নানা কাারণে নাকি চমকাচ্ছিল। বাবা আজাদ নানারকমভাবে। আমরা বলেছি, যারা এই কাজ করে, তারা কাফের। ব্য়স ওর ভাই খিস্তি করে। গুলি চলা ঠিক হয়নি। পুলিশ আইডেনটিফাই করবে কে কী করছে। যিনি আক্রান্ত, তাঁর নাম আজাদ বাবা। আর যিনি হামলায় অভিযুক্ত, তাঁর নাম শেখ আজাদ।যিনি তাপস চট্টোপাধ্য়ায়ের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত।