আপনি পড়াশোনায় ভালো, কিন্তু আর্থিক অনটনের জন্য আপনার পড়াশুনো বা উচ্চ শিক্ষা মাঝপথে আটকে গিয়েছে। তবে আপনার জন্য একটি সুখবর রয়েছে। এই ধরনের শিক্ষার্থীদের সাহায্য করার জন্য এগিয়ে এসেছে কেন্দ্র সরকার। কেন্দ্রীয় সরকারের 'পিএম বিদ্যালক্ষ্মী স্কিম' (PM Vidyalaxmi Scheme) -এর অধীনে এই ধরণের যোগ্য শিক্ষার্থীদের আর্থিক সাহায্য দেবে সরকার। কোনও গ্যারান্টার বা জামানত ছাড়াই শিক্ষা ঋণ পেতে পারেন তাঁরা।
কবে চালু হয়েছে ?
প্রকল্পটি ৬ই নভেম্বর, ২০২৪ তারিখে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত হয়। এর উদ্দেশ্য হল, শুধুমাত্র আর্থিক ভাবে পিছিয়ে পড়া কোনও মেধাবী ছাত্রছাত্রীর পড়াশোনা যেন ব্যাহত না হয়, তা নিশ্চিত করা। এই প্রকল্পটি নতুন শিক্ষা নীতি (এনইপি ২০২০)-এর উদ্দেশ্যগুলির সঙ্গে সঙ্গতি রেখে তৈরি করা হয়েছে এবং এর সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি অনলাইন চালু করা হয়েছে।
পিএম বিদ্যালক্ষ্মী পোর্টাল কী এবং কীভাবে আবেদন করবেন ?
কেন্দ্র সরকার ছাত্রছাত্রীদের সুবিধার জন্য পিএম বিদ্যালক্ষ্মী পোর্টাল চালু করেছে। এটি একটি অনলাইন প্ল্যাটফর্ম, যেখান থেকে ছাত্রছাত্রীরা শিক্ষা ঋণের জন্য আবেদন করতে পারবে। এই পোর্টালটির মাধ্যমে সরকারি, বেসরকারি, আঞ্চলিক গ্রামীণ (আরআরবি) এবং সমবায় ব্যাংকগুলো থেকে ভারত ও বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য ঋণ পাওয়া যাবে। শিক্ষার্থীদের প্রথমে পোর্টালে নাম নথিভুক্ত করতে হবে। এরপর তারা কমন এডুকেশন লোন অ্যাপ্লিকেশন ফর্ম পূরণ করে নিজেদের পছন্দের ব্যাংকে আবেদনটি জমা দিতে পারবেন। এই প্রকল্পের সবচেয়ে বড় সুবিধা হল, শিক্ষার্থীরা কোনও গ্যারান্টার ছাড়াই শিক্ষা ঋণ নিতে পারে।
কী কী সুবিধা পাবেন?
১. এই প্রকল্পের অধীনে, ভারত সরকার ৭.৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত শিক্ষা ঋণের উপর ৭৫ শতাংশ ক্রেডিট গ্যারান্টি প্রদান করে। এতে ব্যাঙ্কের ঋণ আদায়ের ঝুঁকি কমে এবং শিক্ষার্থীদের জন্য ঋণ পাওয়া আরও সহজ হয়।
২. যেসব পরিবারের বার্ষিক আয় ৮ লক্ষ টাকা পর্যন্ত, তারা ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত শিক্ষা ঋণের উপর ৩% সুদ ভর্তুকি পাবেন।
৩. যেসব পরিবারের বার্ষিক আয় ৪.৫ লক্ষ টাকা বা তার কম, তারা পুরো সুদই ভর্তুকি পাবেন।
৪. সম্পূর্ণ আবেদন প্রক্রিয়াটি ডিজিটাল এবং ঋণের টাকাও ডিজিটাল রুপি বা ওয়ালেটের মাধ্যমে দেওয়া হবে।
Education Loan Information:
Calculate Education Loan EMI