কলকাতা: জোরকদমে প্রচার চলেছে, গত দেড় মাস ধরে। তারপরে নির্বাচনের গুরুদায়িত্ব তো ছিলই। তবে এখন, একটু বিরতি। ৪ তারিখ খোলা হবে ইভিএম বাক্স, জানা যাবে ফলাফল। তবে তার আগে, কার্যত হাত গুটিয়ে বসে থাকা ছাড়া আর কিছুই করার নেই প্রার্থীদের। তাই তাঁরা নিজের নিজের মতো করেই সময় কাটাচ্ছেন। কেউ পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাচ্ছেন, কেউ আবার ক্লাবের বন্ধুদের সঙ্গে মজেছেন আড্ডায়। কেউ জমিয়ে দেখছেন ফুটবল ম্যাচ। ৪ তারিখের আগে, আসানসোলে নিজের বাড়িতেই সময় কাটাচ্ছেন অগ্নিমিত্রা পাল (Agnimitra Paul)। কীভাবে কাটছে সময়? কেমন হল ভোটপ্রচার? আসানসোলের বাড়িতে বসেই সমস্ত অভিজ্ঞতা বললেন অগ্নিমিত্রা, শুনল এবিপি আনন্দ (ABP Ananda)।
বাবা মায়ের আশীর্বাদ নিয়েই ভোটের লড়াইয়ে অগ্নিমিত্রা
বাবার বাড়ি আসানসোলে, সেখান থেকেই ভোটপ্রচার করেছেন অগ্নিমিত্রা। মেয়ের লড়াইয়ে সর্বক্ষণ পাশেই রয়েছেন তাঁর বাবা মা। অগ্নিমিত্রা বলছেন, 'এই বাড়িটা বাবা আর মায়ের। আমি সবসময় এখানেই থাকি, আমার আলাদা কোনও বাড়ি নেই। আসানসোলে। বাবা মায়ের আশীর্বাদেই ভোটে লড়ছি। ওঁরাই পথ দেখাচ্ছেন, ভালবেসে আগলে রাখছেন। সকালে ওঠা থেকে রাতে শুয়ে যাওয়া পর্যন্ত বাবা মা আমার পাশে থাকছেন। ওঁরাই তো বিরাট বড় শক্তি। একজন সন্তানের পাশে যদি বাবা মা এভাবে থাকেন, তাঁর আর কিই বা প্রয়োজন! বাবা ভীষণ ব্যস্ত একজন চিকিৎসক, প্রায় ৮০ বছর বয়স। কিন্তু বাবার প্রচুর সংখ্যালঘু পেশেন্ট। তাঁরা আমাদের ভোট দেন না। সেখানে বাবার যে অবদান, পেশেন্টদের বোঝানো যে, 'একবার তোমরা সুযোগ দাও আমার মেয়েকে। একবার সুযোগ দাও মোদিজীকে। হিন্দুদের ও বোঝানো, কেন পরিবর্তন প্রয়োজন। বাবার যতটা অবদান, জানি না এই ঋণ কখনও সহ্য করতে পারব কি না..'
দীর্ঘদিন থেকেই বিজেপির সঙ্গে যুক্ত অগ্নিমিত্রা। আগেও ভোটে লড়েছে, জমিয়ে করেছেন ভোটপ্রচারও। তাই মানুষের সঙ্গে মিশে যাওয়ার অভ্যাস তাঁর রয়েছে। তবে এবার, আসানসোল দক্ষিণে তিনি কী গেরুয়া পতাকা ওড়াতে পারবেন? সেই উত্তর জানেন না অগ্নিমিত্রা নিজেও! সবার মতো, তিনিও অপেক্ষা করছেন ৪টা মেয়ের। যেদিন খোলা হবে ভোটবাক্স, জনগণের রায় জানবে পশ্চিমবঙ্গ।
আরও পড়ুন: Repoll in Falta: আজ ১৫টি বুথে ফের ভোট! তবে ফলতায় পুনর্নির্বাচন নিয়ে এখনও সিদ্ধান্ত জানাল না কমিশন
