পূর্ব বর্ধমান: দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে ফের উত্তপ্ত বাংলা। শেষ দিনে, শেষ মুহূর্তের প্রচার চলাকালীন তৃণমূল পার্টি অফিসে হামলা চালায় বিজেপির কর্মীসমর্থকরা। প্রচারের মাঝ পথে হঠাৎ এসেই হামলা চালান হয়। বিজেপির প্রার্থীকে নিয়ে প্রচারের সময় মিছিল থেকে তৃণমূলের পার্টি অফিসে হামলা করা হয়, এমন অভিযোগ করছে তৃণমূল। ঘটনাটি ঘটেছে নাদনঘাট থানা এলাকায়।

Continues below advertisement

২৯ তারিখের দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে তৃণমূল পার্টি অফিসে হামলার অভিযোগ উঠলো বিজেপির বিরুদ্ধে। বিজেপির প্রার্থীকে নিয়ে প্রচারের সময় মিছিল থেকে বেরিয়ে গিয়ে তৃণমূলের পার্টি অফিসে হামলা চালায় বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা। তৃণমূলের পার্টি অফিস লক্ষ্য করে ডাব, জলের বোতল ছোড়া হয়। এই ঘটনা নিয়ে তৃণমূল কর্মীরা প্রতিবাদ করলে, লাঠি নিয়ে তাদের ওপর হামলাও করা হয়। তৃণমূল কর্মীদের মাটিতে ফেলে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। পাশাপাশি, পার্টি অফিসের সামনে থাকা বেশ কিছু বাইকও ভাঙচুর করা হয়, এমন অভিযোগ জানিয়েছে তৃণমূল। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন ২ তৃণমূলকর্মী। যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করে পাল্টা তৃণমূলের বিরুদ্ধেই হামলার অভিযোগ আনে বিজেপি।

ভোটের আগে উত্তপ্ত নাদনঘাট। পূর্বস্থলী দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের, নসরতপুর এলাকায়, রাস্তা দিয়েই সোমবার সকালে প্রচারে বের হন বিজেপি প্রার্থী প্রাণকৃষ্ণ তপাদার। সঙ্গে ছিলেন কাটোয়া সাংগঠনিক জেলার বিজেপির সভানেত্রী স্মৃতিকণা বসু। নসরতপুরে তৃণমূলের পার্টি অফিসের সামনে দিয়ে যখন মিছিল যাচ্ছিল, তখনই শুরু হয় অশান্তি। বিজেপির মিছিল চলাকালীন মহিলা কর্মীসমর্থকরা হঠাৎ এসে হামলা চালায় তৃণমূলের পার্টি অফিসে। ছোঁড়া হয়, জলের বোতল, ডাব। লাঠি দিয়ে মারা হয় তৃণমূলের লোকজনকে। স্কুটার-বাইক ভাঙচুর করে ফেলে দেওয়া হয় রাস্তায়! হামলার হাত থেকে রেহাই পায়নি টোটোও। এমনই অভিযোগ এনেছে তৃণমূলের পক্ষ থেকে। বিজেপির পাল্টা দাবি, প্রচার চলাকালীন তাঁদের মিছিলে প্রথম হামলা চালায় তৃণমূলই। বিজেপির একাধিক কর্মী আহত হয়েছেন বলে দাবি গেরুয়া শিবিরের!

Continues below advertisement

পূর্বস্থলী দক্ষিণ-এর যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি রাজেশ বসাক বলেন, 'প্রায় ১ থেকে দেড় হাজার লোক ওরা, আমাদের ১৫-২০ জনের ওপরে, ইট, লাঠি, রড নিয়ে আক্রমণ', 'পুরো ভেঙে তছনছ করে দিয়েছে ইট দিয়ে মেরে।' 'দেখুন গিয়ে পার্টি অফিসের ভেতরে রক্ত পড়ে আছে।'

ঘটনার জেরে, এই এলাকার তৃণমূল প্রার্থী স্বপন দেবনাথ ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান, এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপর ক্ষোভ উগরে দেন। তিনি জানান, কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকার পরও কীভাবে এই ঘটনা ঘটে? যতক্ষণ পর্যন্ত দোষীদের চিহ্নিত করে তাদের কড়া শাস্তি না দেওয়া হচ্ছে, ততক্ষন পথ অবরোধ করবেন তিনি। শুরু হয় বিক্ষোভও। তারপর বিশাল কেন্দ্রীয় বাহিনী এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।