সিউড়ি : সিউড়ির রবীন্দ্রপল্লীতে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ঘিরে বিক্ষোভ। পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখালেন বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। সিউড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী তিনি। বিজেপির অভিযোগ, রুট মার্চের সময় বিজেপির বুথ সভাপতির বাড়িতে গিয়ে হুমকি দিয়েছে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী। সেই অভিযোগকে কেন্দ্র করেই উত্তেজনা ছড়ায়।

Continues below advertisement

এনিয়ে বীরভূমে তৃণমূল কংগ্রেসের সহ সভাপতি মলয় মুখোপাধ্যায় বলছেন, বিজেপি যা শুরু করেছে কেন্দ্রীয় সরকারের পুলিশটাকে বিজেপি দলের কর্মী বা আরএসএস কর্মী বলে ভাবতে শুরু করেছে। ওদের অঙ্গুলিহেলনে না চললেই...ওরা যদি নিরপেক্ষতা বজায় রাখে তাহলেই বিজেপি নেতাদের গাত্র জ্বালা হয়ে যাচ্ছে। তাঁদের একটাই ধারণা, মোদি পাঠিয়েছেন পুলিশ। তারা আমাদের হয়ে কাজ করবে, আমরা যা বলব তাই শুনবে...এসআইআরে ভোট লুঠ করেছে, আর একবার ভোট লুঠ করে আমরা তৃণমূলকে হারাব। অত সহজে সম্ভব ? অত সহজে সম্ভব নয়। মানুষ তার যোগ্য জবাব দেবে। 

জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, "১৬ নম্বর ওয়ার্ডে আমাদের একটি বুথের প্রেসিডেন্ট...হঠাৎ করে আমরা শুনি সিউড়ি থানার পুলিশ কেন্দ্রীয়বাহিনী নিয়ে এসে বুথ প্রেসিডেন্টকে চমকাতে গেছে। খবর আসার সঙ্গে সঙ্গে আমরা যাই। দেখি সত্যিই তাই, সেখানে কেন্দ্রীয়বাহিনী এসে আমাদের বুথ প্রেসিডেন্টকে চমকাচ্ছে। আমরা বলি, আপনাদের কাজ কি তৃণমূল পার্টি অফিসে ক্যারম খেলা আর বিজেপির বুথ সভাপতিদের চমকানো ? সিউড়ি পুলিশের অফিসার...আমি এটা নিয়ে অবজার্ভারদের কাছে অভিযোগ জানিয়েছি। জেনারেল অবজার্ভারকে কমপ্লেন করেছি, থানায় কমপ্লেন করেছি। তৃণমূল যেটা পারছে না সেটা কি পুলিশ করছে ? আবার যদি এটা হয় তাহলে এখানে যে পুলিশ অফিসার আছেন বা যিনি নিয়ে যাচ্ছেন তাঁর বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ করছি। ইচ্ছাকৃতভাবে করছে। আমাদের রাজনৈতিক কর্মী সবার বিরুদ্ধে মামলা থাকে। তা বলে তাঁকে বলবেন ভোটের দিন বেরোবেন না, ভোট করবেন না ? আমার বুথ সভাপতি ভোট করবেন না? এজিনিস এখানে চলবে না। ক্যারাম খেলছিল, অভিযোগ করেছিলাম। সাসপেন্ড হয়েছে।" 

Continues below advertisement

প্রসঙ্গত, সিউড়িতে ক্য়ারাম খেলছিলেন ৩ CRPF জওয়ান। সেই ঘটনাতেই কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। সাসপেন্ড করা হয় ৩ জনকে। ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায় তৃণমূলের পার্টি অফিসের ভিতর ক্য়ারাম খেলছেন তাঁরা। ভাইরাল ভিডিও ঘিরে বিতর্কের পরই কড়া সিদ্ধান্ত নেয় কমিশন।