মেদিনীপুর : ১০ বছর পর আবারও নিজের কেন্দ্রে ছক্কা হাঁকালেন দিলীপ ঘোষ। ২০২১-এ এখান থেকে টিকিট না পেলেও, ২০২৬-এ নিজের কেন্দ্র খড়্গপুর সদর বিধানসভা কেন্দ্রে প্রার্থী হন তিনি। বিজেপি ভরসা রাখে তাঁর উপর। দলকে নিরাশা করেননি। তৃণমূলের প্রদীপ সরকারকে হারিয়ে ৩০ হাজারেরও বেশি ভোটে জয় ছিনিয়ে নিলেন তিনি। ২০১৬ সালে তিনি এই আসন থেকে জিতে প্রথম বার বিধায়ক হয়েছিলেন। আরও পড়ুন - তৃণমূল হারলেও জয়ী কুণাল ঘোষ, কত ভোটে হারালেন বিজেপিকে ?
আরও পড়ুন - শিবপুর বিধানসভা কেন্দ্রে জয় ছিনিয়ে নিলেন রুদ্রনীল ঘোষ, কত ভোটে ?
দিলীপের রাজনৈতিক জীবন
দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক জীবন। একেবারে শুন্য থেকে শুরু করেন তিনি। তাঁর রাজনৈতিক জীবনের বয়স প্রায় ২২ বছর। ১৯৮৪ সালে জীবন শুরু করেছিলেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ বা আরএসএস-এর প্রচারক হিসাবে। প্রচারক হিসাবে সেই সময় দেশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ছুটে বেড়াতেন বছর ২০-এর দিলীপ ঘোষ। সঙ্ঘের মতাদর্শ তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়াই তাঁর মূল কাজ ছিল। তারপরই হঠাৎ আগমন রাজনীতিতে। ২০১৪ সালে রাজনৈতিক জীবনে পদার্পণ হয় তাঁর। রাজ্যে দিকে দিকে এবার গেরুয়া ঝড়। পদ্মফুল ফুটেছে বেশিরভাগ জেলায়। নন্দীগ্রাম এবং ভবানীপুর, ২ কেন্দ্রেই শুভেন্দু অধিকারী জয় ছিনিয়ে নিয়েছেন। নন্দীগ্রাম শুভেন্দুর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন তৃণমূলের পবিত্র কর এবং ভবানীপুরে ছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অনেক জায়গায় কার্যত সাফ হয়ে গিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। সকাল থেকেই হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চলেছিল ভবানীপুরে। একবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এগিয়ে আবার একবার শুভেন্দু। অবশেষে সেই লড়াইয়ের অবসান ঘটেছে। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুর কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীমমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারালেন ১৫,১১৪ ভোটে। এবারের বিধানসভা নির্বাচনে প্রথম থেকেই নজরে ছিল এই কেন্দ্র।
