কলকাতা: সুপ্রিম কোর্টে SIR সংক্রান্ত মামলার শুনানি হয় আজ । ৬ এপ্রিলের মধ্যে 'বিবেচনাধীন' তালিকা যাচাইয়ের কাজ শেষ হবে। সুপ্রিম কোর্টে দেওয়া রিপোর্টে জানালেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি।
নির্বাচন কমিশন সুপ্রিম কোর্টে জানাল, ট্রাইব্যুনালে যাঁরা কাজ করবেন, তাঁদের প্রশিক্ষণের কাজ চলছে। আগামীকাল থেকে ট্রাইব্যুনালের কর্মীরা কাজ করতে পারবেন। সুপ্রিম কোর্টে শুনানিতে এক আইনজীবী অভিযোগ করেন, রাজ্যে আসন্ন বিধানসভা ভোটে লড়ছেন এমন এক কংগ্রেস প্রার্থীর নাম নেই তালিকায়। উত্তরে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি বলে অপেক্ষা করুন, ট্রাইব্যুনাল কাজ শুরু করবে। আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় কমিশনের আধিকারিকদের প্রশিক্ষণ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন, তা খারিজ করে দেয় সুপ্রিম কোর্ট।
এর আগে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ প্রশ্ন তোলে অনেক রাজ্যেই তো SIR হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গে এত অসুবিধা কেন? কাজ করতে গিয়ে কী কী সমস্যা হচ্ছে, সেই রিপোর্ট মুখবন্ধ খামে আদালতে জমা দেন নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী। সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দেয়, প্রথম দফায় যেখানে যেখানে ভোট আছে, সেখানকার সমস্যার নিষ্পত্তি আগে করা হোক। যাঁরা প্রার্থী হয়েছেন, তাঁদের সমস্যার সমাধান আগে করতে হবে। ২০ ফেব্রুয়ারি নজিরবিহীন নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট।
প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ নির্দেশ দেয় SIR-এর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে ডিস্ট্রিক্ট জজ বা অ্যাডিশনাল ডিস্ট্রিক্ট জজকে নিয়োগ করবেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি। জুডিশিয়াল অফিসারদের পরামর্শ দেওয়ার জন্য অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিদের নিয়োগ করতে হবে। লজিকাল ডিসক্রিপেন্সি নিয়ে যে স্ক্রুটিনি বাকি রয়েছে, সেগুলির শুনানি করে তাঁরা সিদ্ধান্ত নেবেন।
২৪ ফেব্রুয়ারি, সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ জানিয়েছিল, কাজ শেষ করতে কমপক্ষে ৩ বছরের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন সিনিয়র ও জুনিয়র ডিভিশনের সিভিল জজদের নিয়োগ করবেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি। তারপরও প্রয়োজন মনে হলে বর্তমান ও প্রাক্তন জুডিশিয়াল অফিসার চেয়ে, ওড়িশা এবং ঝাড়খণ্ড হাইকোর্টকে অনুরোধ করতে পারেন কলকাতা হাইকোর্ট প্রধান বিচারপতি।
