মুর্শিদাবাদ : হুমায়ুন কবীরের আম জনতা উন্নয়ন পার্টি এবারই প্রথম নির্বাচনী লড়াইয়ে। বিধানসভা ভোটের আগে তৃণমূল থেকে নাটকীয়ভাবে সাসপেন্ড হওয়ার পর বাবরি মসজিদের শিলান্যাস করে তোলপাড় ফেলে দিয়েছিলেন হুমায়ুন কবীর। এরপর নতুন দল গড়েছেন ভরতপুরের বিদায়ী বিধায়ক। নিজেও লড়ছেন, তাঁর দল আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রার্থীরাও একাধিক আসনে লড়েছে। সরকার গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে তাঁর দলের জেতা আসন সংখ্যা, একথা তিনি বারবার বলে এসেছেন। নিজের দলের প্রার্থীদের ফলাফল নিয়েও জোরের সঙ্গে ইতিবাচক দাবি করে এসেছেন। এবার রেজাল্টের দিনও আশাবাদী হুমায়ুন। বললেন, ' খুবই ভাল রেজাল্ট হবে। ৮ টায় কাউন্টিং শুরু হবে। ১ ঘণ্টার মধ্যে পোস্টাল শেষ হয়ে যাবে। আমার অনুমানের খুব হেরফের হবে না। যা বলেছিলাম তাই হবে। ইলেকশন কমিশনের সিস্টেম খুব সুন্দর। স্ট্রংরুম নিয়েও নিশ্চিন্ত হুমায়ুন। ইলেকশন কমিশকে ধন্যবাদ জানালেন হুমায়ুন কবীর। ফলাফলের পর যেন শান্তি বজায় থাকে, অনুরোধ হুমায়ুনের।   

Continues below advertisement

প্রথম দফা, ২৩ এপ্রিল ভোট হয় মুর্শিদাবাদে। সেদিন মোটের উপর শান্তিপূর্ণ ভোট হলেও অশান্তি এড়ানো যায়নি মুর্শিদাবাদের নওদায়। কেন্দ্রীয় বাহিনীর সামনে লাঠি নিয়ে ভাঙচুর করা হয় হুমায়ুন কবীরের কনভয়ের গাড়ির কাচ। আক্রান্ত হন তাঁর দলের এক কর্মী। পাল্টা তৃণমূল কর্মীদের উদ্দেশে লাঠি হাতে তেড়ে যান হুমায়ুন কবীরের অনুগামীরা। চলে ইটবৃষ্টিও। তৃণমূল ও আমজনতা উন্নয়ন পার্টির সমর্থকরা একে উপরের দিকে লাঠি বাঁশ নিয়ে হামলা চালায়। শিবনগরে একটি ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে হুমায়ুন কবীর উপস্থিত হলে তাঁকে ঘিরে স্লোগান দিতে থাকেন তৃণমূল কর্মীরা। পাল্টা তৃণমূল কর্মীদের দিকে তাড়া করে যান হুমায়ুন কবীর। রাস্তাতেই চেয়ার নিয়ে বসে পড়েন হুমায়ুন কবীর। তাঁকে পাখার বাতাস করতে থাকেন অনুগামীরা। কিছুটা দূরে পাল্টা রাস্তায় বসে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন তৃণমূলের নওদার বুথ সভাপতি সফিউজ্জামান শেখ। তাঁকেও পাখার বাতাস করতে থাকেন তৃণমূল কর্মীরা। মোটের উপর সেদিন হুমায়ুন কবীরের এলাকা ছিল উত্তপ্তই। এখন ভোটের ফল কোনদিকে গড়ায় সেটাই দেখার।      

আরও পড়ুন : ২৯৩টি বিধানসভা আসনের ভোট গণনা আজ, কে এগিয়ে, কে পিছিয়ে ? লেটেস্ট আপডেট

Continues below advertisement

আরও পড়ুন :  'আমায় ভুল বুঝ না' ভোট গণনার আগেই কেমন এমন বার্তা বিজেপি প্রার্থী 'অভয়ার মা'-র?