মুম্বই: সাত বছর আগে দলেরই এক বিধায়কের সঙ্গে মত বিরোধের কারণে বিজেপি ছেড়েছিলেন। যোগ দিয়েছিলেন কংগ্রেসে। তারপর অর্ধ দশকের উপরে কংগ্রেসের সঙ্গে ঘর করার পর এবার ‘হাত’ ছেড়ে ফের বিজেপিতেই ফিরলেন প্রবীন ছেদা। লোকসভা ভোটের আগে প্রবীন ছেদার ঘরওয়াপসি করিয়ে মহারাষ্ট্রে বিজেপির শক্তি আরও বাড়িয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়ণবীস। একই সঙ্গে এদিন বিজেপিতে যোগ দিলেন ন্যাশনাল কংগ্রেস পার্টির নেত্রী ভারতী পাওয়ার।

২০১৪ লোকসভা নির্বাচনে মহারাষ্ট্র থেকেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন শরদ পাওয়ারের দলের এই নেত্রী। তবে জিততে পারেননি। বিজেপি প্রার্থী হরিশচন্দ্রের কাছে হারতে হয় তাঁকে। অন্যদিকে প্রবীন ছেদা পরপর তিনবার বৃহন্মুম্বই পৌরসভার কর্পোরেটর ছিলেন। এবার ‘শাসক বিরোধী’ এই নেতৃত্বদ্বয় শাসকের হয়েই প্রচার চালাবেন। দলে যোগ দিয়ে প্রবীন ছেদা জানান, “দল আমাকে যে কাজ করতে বলবে আমি সেটাই নির্বাহ করব।” প্রাক্তন এনসিপি নেত্রী ভারতী পাওয়ার জানান, “বিগত পাঁচ বছরে বিজেপি যেভাবে উন্নয়নের কাজ করেছে তা আমাকে অনুপ্রাণিত করেছে। আমি দরিদ্র ও আদিবাসী মানুষদের জন্য কাজ করব।” একই সঙ্গে ভারতী পাওয়ার এও জানিয়েছেন, দেশে নরেন্দ্র মোদি ও মহারাষ্ট্রে দেবেন্দ্র ফড়ণবীসের নেতৃত্বেই কাজ করতে চান তিনি।

প্রসঙ্গত, এদিন রাজ্যসভায় বিজেপির সাংসদ সঞ্জয় কাকারের দল ছাড়ার জল্পনাও উড়িয়েছেন ফড়ণবীস। তিনি জানিয়েছেন, কাকারে বিজেপিতেই আছেন। কিছু বিষয়ে তাঁর বিদ্বেষ তৈরি হয়েছিল। সেই সুযোগে কংগ্রেস তাঁকে লোকসভা টিকিটের প্রলোভন দিয়েছিল। তাঁকে পুণে থেকে টিকিট দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু, আমার সঙ্গে কথা হওয়ার পর তিনি আশ্বস্ত করেছেন সমস্ত বিদ্বেষ মিটিয়ে নেবেন।