কলকাতা: যখন কার্যত সমস্ত Exit Poll -ই বিজেপি (BJP)-কে এগিয়ে রাখছে, সেখানে একেবারে উল্টো হিসেব দিচ্ছে 'পিপলস পালস-এর Exit Poll'। অধিকাংশ সংস্থাই বলছে, এবারের নির্বাচনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইটা হলেও, সামান্য হলেও এগিয়ে থাকবে BJP। তবে একেবারে উল্টো হিসেব দিচ্ছে এই 'পিপলস পালস-এর Exit Poll'। এই নামি সংস্থার হিসেব বলছে, এবারের নির্বাচনে তৃণমূল পেতে পারে, ১৭৭ থেকে ১৮৭টি আসন। যেখানে অধিকাংশ সময়েই এগিয়ে রাখা হচ্ছে বিজেপিকে। সেখানে 'পিপলস পালস-এর Exit Poll' একেবারে অন্য কথা বলছে। এই সংস্থার সমীক্ষা অনুযায়ী, বিজেপি পেতে পারে, ৯৫ থেকে ১১০টি আসন। বাম পেতে পারে, শূন্য থেকে একটি মাত্র আসন আর কংগ্রেস পেতে পারে, ১ থেকে ৩টি আসন। একমাত্র, 'পিপলস পালস-এর Exit Poll'-এর হিসেব অনুযায়ী, এবার পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচনে কংগ্রেস সর্বাধিক ৩টি পর্যন্ত আসন পেতে পারে।
Disclaimer: রাজ্যে দু’দফায় বিধানসভা নির্বাচন হয়ে গেল। জনতা জনার্দন কী রায় দিয়েছে? পরিবর্তন নাকি প্রত্যাবর্তন, কী ভাবছেন ভোটাররা? সেই সব উত্তর আর প্রার্থীদের ভাগ্য এখন EVM বন্দি। তবে, তা নিয়ে বুথ ফেরত সমীক্ষা করেছে দেশের বিভিন্ন মিডিয়া। সেই দুহাজার পাঁচ সাল থেকে এবিপি আনন্দে প্রতিটি নির্বাচনে ওপিনিয়ন পোল বা এক্সিট পোল আপনাদের সামনে তুলে ধরা হচ্ছে। তার মধ্যে কিছু মিলেছে, আবার কিছু মেলেনি। মেনে নিতে এতটুকুও দ্বিধা নেই যে, এইসব সমীক্ষার accuracy কিন্তু ক্রমশ কমছে। এর কারণ, শুধুমাত্র সমীক্ষার Sample Size ছোট হওয়া নয়, ইদানিং এর বড় কারণ চ্যাটবট বা বিভিন্ন AI সফটওয়্যারের ব্যবহার। Field-Survey যত কমবে, মোবাইল বা AI সফটওয়্যারের ব্যবহার যত বাড়বে, বাস্তবের সঙ্গে সমীক্ষার ফারাক তত বাড়বে। তবুও, প্রতিষ্ঠিত সমীক্ষক সংস্থাগুলো বাংলার ভোট নিয়ে যে-সব সমীক্ষা করবে, তাদের সবার সমীক্ষাই আমরা তুলে ধরব। কিন্তু এই সমীক্ষার সঙ্গে আমাদের জার্নালিস্টিক জাজমেন্ট বা এডিটোরিয়াল পলিসির কোনও সম্পর্ক নেই। সমীক্ষক সংস্থার দেওয়া সংখ্যাগুলো হুবহু আপনাদের সামনে তুলে ধরা হচ্ছে মাত্র। আরও স্পষ্ট করে জানানো হচ্ছে, এবিপি আনন্দ নিজস্ব কোনও সমীক্ষা করেনি। রাজ্যের মসনদে কে, তা জানা যাবে একমাত্র ৪ মে-ই।
