ময়ূখ ঠাকুর চক্রবর্তী, বাঁকুড়া: পশ্চিমবঙ্গে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করতে সব রকম পদক্ষেপ করা হচ্ছে বলে বার বার আশ্বাস দিয়েছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। প্রতি বুথে নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে ২৩ এপ্রিল পশ্চিমবঙ্গে প্রথম দফার ভোটে রেকর্ড সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশ মোতায়েন করছে নির্বাচন কমিশন। উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গ কোথাও নিরাপত্তার খামতি রাখতে চাইছে না তারা। প্রথম দফার ভোটে উত্তপ্ত বাঁকুড়ার কোতুলপুর। 

Continues below advertisement

এদিকে আজ ভোটের দিনে ভোটগ্রহণের মাঝে ভোটারদের মারধরের অভিযোগ উঠছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। গ্রামবাসীদের অভিযোগ রীতিমতো বাড়ির মধ্যে ঢুকে মারধর করে ভাঙচুর চালিয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী।                                                              

স্থানীয় বাসিন্দা এবিপি আনন্দকে বলেছেন, 'কেন্দ্রীয় বাহিনীর ওঁরা সব এল। ৫-৭ জনকে ছুটিয়ে এদিকে নিয়ে আসে। এবার আমাদের বলে দিদি ওঁরা যদি আবার আপনাদের এখানে আসে তাহলে কিন্তু ঘরদোর সব জ্বালিয়ে দেব। বলছে আমাদের কাছে পারমিশন আছে এসব করার। এরপর চেয়ার বাইক বাইরে যা ছিল সব তো ভেঙেছে, আবার হুমকিও দিয়েছে। এও বলেছে আপনাদের বাড়ি থেকে টেনে বের করে অ্যারেস্ট করতে পারি। গুলি দিয়ে ফায়ার করার হুমকি দিয়েছে'। জানা গিয়েছে ওই স্থানীয় বাসিন্দারা তৃণমূল দল করেন। 

Continues below advertisement

এদিকে আজ, চোপড়ায় ভোটকেন্দ্রে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ, জখম বৃদ্ধা ও তাঁর ভাইপো। তৃণমূল কর্মীদের দাবি, ঝড়িমন নেশা নামে এক বৃদ্ধা তাঁর ভাইপোকে নিয়ে ভোট দিতে ওই বুথে যান। অভিযোগ, সেই সময় কেন্দ্রীয় বাহিনীর কিছু জওয়ান তাঁদের বিজেপিকে ভোট দেওয়ার জন্য চাপ দেন। এতে প্রতিবাদ জানিয়ে ওই বৃদ্ধা বলেন, ভোট তাঁর গণতান্ত্রিক অধিকার এবং তিনি নিজের পছন্দমতো প্রার্থীকে ভোট দেবেন। অভিযোগ, এর পরেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা ওই বৃদ্ধা ও তাঁর ভাইপোকে মারধর করেন বলে অভিযোগ।                              

ভোটের দিন ভোটারদের নিরাপত্তা দেওয়ার জন্যই যাঁদের আনা, তাঁদের বিরুদ্ধেই ভোটারদের মারধরের অভিযোগ উঠেছে। শুধু তাই নয়, এও অভিযোগ উঠেছে যে ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী।