চুঁচুড়া: হুড খোলা গাড়িতে করে জনসংযোগে শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। এবিপি আনন্দের ক্যামেরায় দেখা গেল তেমনই ছবি। এখনও পর্যন্ত নির্বাচনের দিন ঘোষণা হয়নি। কিন্তু তার আগেই জনসংযোগ শুরু করে দিয়েছেন তৃণমূলের হেভিওয়েটরা। আজই বিকেলে পশ্চিমবঙ্গ সহ পাঁচ রাজ্যে নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করা হবে। আর তার আগেই জনসংযোগ ও প্রচারের কাজ শুরু হয়ে গেল। এদিন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের সঙ্গে প্রচুর তৃণমূল সমর্থকদের একসঙ্গে দেখা গেল।
ভোট ঘোষণার আগেই কলকাতার চেতলায় জনসংযোগে বেরোলেন পুরমন্ত্রী ও মেয়র ফিরহাদ হাকিম। নিজের এলাকায় বাড়ি বাড়ি ঘুরে ভোটপ্রচার করেন তিনি। প্রত্যেকের হাতে লিফলেট ধরান তিনি যাতে লেখা রয়েছে, যতই করো হামলা, আবার জিতবে বাংলা। ফিরহাদ হাকিম বলেন, ''আমার পাড়ায়, আমার এলাকায়, আমার ওয়ার্ডে আমি ঘুরছি মানুষের সঙ্গে দেখা করছি। মানুষ সচেতন যে বাংলাকে জেতাতে হবে। বাইরের প্রদেশের লোকেরা এসে ইট মারবে, খুন করবে তা হবে না। বাংলার সম্মান কেউ লুণ্ঠিত হতে দেবেন না। বাংলা মানুষের পাশে ছিল, আর থাকবেও। আর বাংলার মুখ্য়মন্ত্রী চতুর্থবারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী হবেন।''
শনিবার ব্রিগেডের মঞ্চ থেকে নরেন্দ্র মোদি জানিয়েছিলেন, ''ওই দিনটা দূরে নেই, যখন বাংলায় আবার আইনি শাসন হবে। তৃণমূলের কোনও অত্য়াচারীকে ছাড়া হবে না। প্রত্যেককে বেছে বেছে বদলা নেওয়া হবে।'' এদিন কল্য়াণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ''আপনি আর কী খুঁজে খুঁজে হিসেব নেবেন? আপনি তো আমেরিকার প্রেসিডেন্টের সামনে মাথা নত করে ফেলেছেন। এটা বাংলার মাটি, এটা গুজরাতের মাটি নয়। আমাদের বিএসএফ পাঠিয়ে মারবেন না কি? এখানে আমরা বেছে বেছে খেয়ে নেব আপনার।''
SIR ইস্য়ুতে যে ধর্নামঞ্চ সেখান থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন কেন্দ্রকে। তিনি বলেছিলেন, ''একটা কমিউনিটি যখন জোট বাঁধে না, ঘিরে ফেললে এক সেকেন্ডে দেবে একদম বারোটা বাজিয়ে। যদি নিজেদের ১৩ টা বাজাতে না চান বিজেপির অপপ্রচারে কেউ ভুল বুঝবেন না।'' প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ব্রিগেডের মঞ্চ থেকে বলেন, 'খোলাখুলি ধমকি দেওয়া হচ্ছে, বলা হচ্ছে, এক বিশেষ সম্প্রদায় মিলে আপনাদেরকে শেষ করে দেবে। সংবিধান স্বীকৃত পদে বসে এমন হুমকি? কোটি কোটি বাঙালিকে খুন করার কথা., আপনার মুখো শোভা পায় না। আমি জানতে চাই, তারা কারা, যারা তৃণমূল সরকারের ইশারায় কোটি কোটি লোককে শেষ করে দেবে।'
