বেলুড়, হাওড়া: দ্বিতীয় দফার নির্বাচনের আগে থেকেই কিছু বিক্ষিপ্ত অশান্তির খবর এসেছে। জানা গিয়েছে, দ্বিতীয় দফার নির্বাচনের পরথম লাঠিচার্জ হয়েছে হাওড়ার বেলুড়ে। বেলুড়ের সোহনলাল দেওরালিয়া বালিকা বিদ্যালয়ের দুটো বুথেই ইভিএম খারাপ ছিল। ফলে, ভোট শুরু হতে দেরি হয়। আর সেই সময়ই দেখা যায়, তৃণমূলের এক এজেন্ট ও এক নির্দল প্রার্থীর এজেন্টকে বুথ থেকে বের করে দেন কর্তব্যরত কেন্দ্রীয় বাহিনী -এর জওয়ানরা।

Continues below advertisement

আরও পড়ুন: নির্বাচন ও গণনার দিন কোন রাস্তায় গাড়ি চলবে আর কোন রাস্তায় চলবে না, নির্দেশিকা দিয়ে জানাল কলকাতা পুলিশ!

ওই দুই এজেন্টকে বের করে দেওয়া হলে তাঁরা ওই স্কুলের গেটের সামনেই শুয়ে পড়েন ও বিক্ষোভ দেখতে শুরু করেন। সেই সময় ওই দুই এজেন্টকে হাত ধরে ও পা ধরে চ্যাংদোলা করে সরিয়ে দেওয়া হয় ওই জায়গা থেকে। এমনকি তাঁদের উপর লাঠিচার্জও করা হয়।

Continues below advertisement

সেই সময় একেই ইভিএম খারাপ থাকায় ভোট কর্মীরা খানিকটা চাপেই ছিলেন। বুথের ভিতরে থাক CRPF জওয়ানরা জানান, ওই দুই এজেন্ট বুথের ভিতরে নিজেদের মধ্যেই গোলমাল করছিলেন। আর সেই কারণেই তাঁদের বুথ থেকে বের করে দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন: ভোটের স্লিপ না থাকলেও চিন্তা নেই, কীভাবে ভোট দিতে পারবেন আপনি?

সেই সময় শতাধিক ভোটার নিজের ভোট নিজে দেওয়ার জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। ওই দুই এজেন্টকে বের করে দেওয়া হলেও লাইনে দাঁড়ানো ভোটারদের মধ্যে খুব বেশি প্রভাব পড়েনি। এমনকি বৃষ্টি শুরু হলেও, সেই বৃষ্টিকে উপেক্ষা করেও লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন ভোটাররা। কিন্তু বৃষ্টি হলেও লাইন ছেড়ে কেউ চলে যাচ্ছেন না। যদিও অনেকক্ষণ ধরে লাইনে দাঁড়য়ে থাকায় ও ভোট শুরু হতে দেরি হওয়ায় কিছুটা ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা যায় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা ভোটারদের।

লাইনে থাকা অনেক ভোটার অবশ্য ভোট শুরু হতে দেরি হওয়ায় কিছুটা ভীত। কারণ তাঁরা বলছেন, "ভিতরে হয়তো ছাপ্পা ভোট পড়ছে", সেই কারণেই হয়তো ভোট শুরু করতে দেরি হচ্ছে।

দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে ভাঙড়ে উত্তেজনা। ভোটারদের ভয় দেখানোর প্রতিবাদ করায় ISF কর্মীদের মারধরের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ক্যানিং পূর্ব কেন্দ্রে ভোট লুঠের অভিযোগ আরাবুলের। এ ছাড়াও কয়েকটি বুথে এজেন্ট বসতে না দেওয়ার অভিযোগও এসেছে ISF -এর তরফ থেকে।