রঞ্জিত হালদার, ভাঙর: ভোটের আগের রাতে ভাঙড়ে উত্তেজনা ছড়াল আবার। তৃণমূলের বিরুদ্ধে আইএসএফ কর্মীদের মারধরের অভিযোগ উঠল ভাঙরে। দ্বিতীয় দফার নির্বাচন এখানে আজ। তার আগের রাতে ভাঙড়ের দু’নম্বর ব্লকের বিজয়গঞ্জ থানার কোচপুকুর এলাকায় আইএসএফ কর্মীদের ওপর হামলা চালায় তৃণমূলের নেতাকর্মীরা। আইএসএফ কর্মীদের দাবি, তৃণমূল কর্মীরা ভোট প্রচারের নাম করে এলাকায় ঘুরে বেড়িয়ে সাধারণ মানুষকে প্রভাবিত ও হুমকি দিচ্ছিল। এর প্রতিবাদ করতে গেলে তাঁদের ওপর চড়াও হয় অভিযুক্তরা। শুরু হয় বেধড়ক মারধর। এই ঘটনায় একজন মহিলা-সহ মোট চারজন আইএসএফ কর্মী আহত হন বলে অভিযোগ। আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত জিরানগাছা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যান চিকিৎসার জন্য। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বিজয়গঞ্জ থানার পুলিশ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালানো হয় এবং এলাকায় টহলদারি বাড়ানো হয়েছে বলে সূত্রের খবর।

Continues below advertisement

আরও পড়ুন: 'ভোট দিতে যাবেন না' তৃণমূল নেতার শাসানি, মিনাখাঁয় উত্তেজনা

এই বিষয়ে ভাঙরের ISF প্রার্থী নৌশাদ সিদ্দিকি জানিয়েছেন, ''বাড়ি বাড়ি গিয়ে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। আমরা এই বিষয়ে মেইলও করেছি। যেমনটা হয় যে ভোট দিতে পারবে না কেউ। ধমকানো, চমকানো, ভোটারদের প্রভাবিত করা চলছিল। আমাদের কর্মীদের মারধর করা হয়েছে। প্রশাসন অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অ্য়াকশন নিচ্ছে।''

Continues below advertisement

এর আগে, ভাঙড়ের তৃণমূল প্রার্থী সওকত মোল্লার ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছিল ISF-এর বিরুদ্ধে। প্রচার সেরে ফেরার সময় সওকত মোল্লা ও স্থানীয় তৃণমূল কর্মীদের ওপর উঠল হামলার অভিযোগ। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে আইএসএফ।

উল্লেখ্য, ভোটের মুখে ভাঙড়ে উদ্ধার হয়েছে বোমা। এখানকার কাশীপুরে বোমা উদ্ধারের তদন্তে নেমেছে কেন্দ্রীয় এজেন্সি NIA। এর মধ্য়ে তৃণমূল প্রার্থী সওকত মোল্লা ও তাঁর কর্মী সমর্থকদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠল ISF-এর বিরুদ্ধে। প্রচার সেরে ফেরার সময় উত্তর চালতাবেরিয়া এলাকায় সওকত মোল্লার ওপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ উঠেছিল ISF-র বিরুদ্ধে। ভাঙরের তৃণমূল প্রার্থী সওকত মোল্লা জানিয়েছিলেন, 'আবুল খয়েরের নেতৃত্বে আমাদের ওপর, আরও কয়েকজন ছিল অ্যাটাক করে। আমরা সঙ্গে সঙ্গে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ করি। পরবর্তীকালে সেন্ট্রাল ফোর্স সেখানে চলে আসে।' তিনি আরও বলেন, 'ISF-এর পায়ের তলা থেকে যখন জমি সরছে, তখন এই ধরনের খেলা নৌশাদ সিদ্দিকি খেলাতে চাইছে। আমরা আমাদের ছেলেদের বলেছি প্রশাসন আগে দেখুক, প্রশাসন যদি অ্যাকশন না নেয়, পরবর্তীতে আমরা বসে আলোচনা করব।+ ISF-এর পঞ্চায়েত মেম্বার তাঁর নেতৃত্বে এই ঘটনা ঘটেছে।'