কলকাতা: মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের চ্য়ালেঞ্জ। শুভেন্দু অধিকারীর হুঙ্কার! পুরোদস্তুর জমে উঠেছে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভোট।কেউ কাউকে এক ইঞ্চিও জমি ছাড়তে নারাজ। নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুর বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী বলেন , বড় একটা গোল্লা খাওয়াব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।
'ইভিএম-এর যুদ্ধের আর বেশিদিন বাকি নেই'
তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এটা প্রতিবাদের ভোট। প্রতিশোধের ভোট। প্রতিরোধের ভোট। যুদ্ধ বহু হয়েছে। কিন্তু কিছু যুদ্ধ ইতিহাসের পাতায় চিরকালের মতো জায়গা করে নেয়।যেমন পলাশীর যুদ্ধ! পানিপথের যুদ্ধ!লেলিনগ্রাদের যুদ্ধ!ওয়াটার্লুর যুদ্ধ!এরকম কিছু যুদ্ধ!এবার পশ্চিমবঙ্গের বুকে যে ভোট যুদ্ধ হচ্ছে তাও, ভারতের নির্বাচনী ইতিহাসে চিরতরে জায়গা করে নেবে বলেই মনে করছেন অনেকে!ইভিএম-এর যুদ্ধের আর বেশিদিন বাকি নেই। তার আগে চলছে বাগযুদ্ধ!
ওরা জানে না, বাঘ যদি আহত হয়, আহত বাঘ মনে রাখবেন, অসুস্থ বাঘ আরও ভয়ঙ্কর : মমতা
ভবানীপুর তৃণমূল প্রার্থী মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায় বলেন, এই প্রথম, আমার সরকারের সব অফিসারকে বদলি করে দিয়েছে। সব বিজেপির অফিসারদের নিয়ে এসেছে। কেন বলুন তো? আমাকে জব্দ করার জন্য়। ওরা জানে না, বাঘ যদি আহত হয়, আহত বাঘ মনে রাখবেন, অসুস্থ বাঘ আরও ভয়ঙ্কর। ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, 'আর একটা কথা বলে গেলাম, গতবারে বলেছিলাম নন্দীগ্রামে এসেছেন, হারিয়ে পাঠাব। এবারে বলে গেলাম ভবানীপুরে আপনাকে হারাব। আর কোনও চিন্তা নেই।' আক্রমণ পাল্টা আক্রমণ। দাবি পাল্টা দাবি!সবটাই ভোট পেতে। ক্ষমতা পেতে।
পা ভাঙেনি, ভাল পায়ে ব্য়ান্ডেজ জড়িয়ে নাটক করেছেন,বাংলাকে টুপি পরিয়েছেন, বললেন শুভেন্দু
তৃণমূল সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বিভিন্ন জায়গায় এখন বিজেপির নেতারা ফোন করছে। এই, বুথে বসবি? ৫ হাজার টাকা দেব। যাদেরকে ফোন করছে, ফোনটা ধরবেন। পদ্মফুলের থেকে টাকা নেবেন আর জোড়াফুলে ভোট করবেন। ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, আমাকে হারাতে এসেছিলেন। অনেক গল্প, স্বপ্ন দেখিয়ে গেছেন। পা ভাঙেনি। ভাল পায়ে ব্য়ান্ডেজ জড়িয়ে নাটক করেছেন। বাংলাকে টুপি পরিয়েছেন। নন্দীগ্রামের লোক টুপি পরেনি। এবারে আমি ভবানীপুরে গেছি। 'এরইমধ্য়ে প্রথমবার পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভোট যুদ্ধে পা রেখে মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়কে তীব্র আক্রমণ করেছেন আসাদউদ্দিন ওয়েইসি।কথার খেলা চলছে-চলবে। ফাইনালে কে জেতে, সেটাই আসল কথা।
