কলকাতা: জ্ঞানেশ কুমারকে এবার হিটলারের সঙ্গে তুলনা ব্রাত্য বসুর । তিনি বলেন, 'হিটলার, গোয়েবেলসের মতো সরকার-দলকে একাকার করে দিচ্ছেন জ্ঞানেশ কুমার। ভোটের ২ দিন আগে বিহারে নীতীশ কুমারের সরকার টাকার ঘোষণা করেছিল। ভোট ঘোষণার পর এটা নির্বাচনী বিধিভঙ্গ, এটা করা যায় না। সব কটা গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে বিজেপির পার্টি অফিসে পরিণত করেছে', বিজেপিকেও আক্রমণ রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর।

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, ভোটের আগে ২৬-২৮টি পদে মুখ্যমন্ত্রীর ইস্তফা

Continues below advertisement

জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে মহম্মদ বিন তুঘলকের তুলনা

গতমাসে রাজ্যের চুড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের দিন নির্বাচন কমিশন ও বিজেপিকে একযোগে আক্রমণ করেছিল তৃণমূল। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে মহম্মদ বিন তুঘলকের তুলনা করেছিলেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।  তিনি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে বলেছিলেন 'ডেভিল'। পাল্টা উত্তর দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ও বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। 

'মহম্মদ বিন তুঘলকের রাজত্ব জানো তো?"

তৃণমূল সাংসদ কল্য়াণ বন্দ্য়োপাধ্য়ায় বলেন, মহম্মদ বিন তুঘলক এখানে মুখ্য় নির্বাচন কমিশনার। অমিত শাহ রাজনীতিবিদ নন, ডেভিল। শনিবার প্রথম ধাপে প্রকাশিত হয় চূড়ান্ত ভোটার তালিকা। আর সেই দিনই নতুন করে চড়েছিল বিজেপি ও নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে তৃণমূলের সংঘাতের পারদ!মহম্মদ বিন তুঘলক ডেভিল-এর মতো শব্দে ভর করে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে আক্রমণ করেছিলেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।  কল্য়াণ বন্দ্য়োপাধ্য়ায় বলেছিলেন, 'মহম্মদ বিন তুঘলকের রাজত্ব জানো তো? মহম্মদ বিন তুঘলকের রাজত্বে আমরা বসবাস করছি। মহম্মদ বিন তুঘলকের রাজত্বে বসবাস করে, মহম্মদ বিন তুঘলকের বিরুদ্ধে লড়াই করতে হবে, সেটাই বড় কথা। মহম্মদ বিন তুঘলক এখানে মুখ্য় নির্বাচন কমিশনার। তাঁকে যে চালাচ্ছে, সে নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহ। ও (মুখ্য় নির্বাচন কমিশনার) হচ্ছে সামনে মুখোশ। আর মুখটা হচ্ছে নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহ।'

 পাল্টা সুকান্ত মজুমদার বলেছিলেন, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে, নিজেকে যেটা দেখতে পান আয়নার সামনে সেটাই উনি বলেছেন। উনি তো নিজেই মহম্মদ বিন তুঘলকের সবচেয়ে বড় উদাহরণ। কখন গান গাইছেন, কখন পুজো করতে গিয়ে কাঁদছেন, কখন নাচছেন, কখন যে কী করছেন তা তো বোঝা যাচ্ছে না, কখনও মহুয়ার সঙ্গে ঝগড়া করছেন, আবার কখনও মহুয়ার সঙ্গে বন্ধুত্ব করছেন, ওঁকে আগে ঠিক হতে বলুন, কোন দিকে যাবেন।