পশ্চিমবঙ্গে প্রথম দফায় রেকর্ড ভোট পড়েছে। ৯৩ শতাংশেরও সামান্য় বেশি। এবার দ্বিতীয় দফা। আর কিছুক্ষণ পরই শুরু হবে ভোটগ্রহণ।তার আগে এই তথ্যগুলি না-জেনে রাখলে মুশকিল । পশ্চিমবঙ্গে দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে ভোটারদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ভাগ করে নিল নির্বাচন কমিশনের। ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ, সহজ ও নির্ভুল করতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগের কথা জানাল মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর। ভোটার ইনফরমেশন স্লিপ (VIS) থেকে শুরু করে ভোট দিতে প্রয়োজনীয় পরিচয়পত্র— সবকিছু নিয়েই প্রকাশ করা হয়েছে বিশেষ নির্দেশিকা।

Continues below advertisement

ভোটার ইনফরমেশন স্লিপে কী সুবিধা মিলবে?

মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক, পশ্চিমবঙ্গের তরফে জানানো হয়েছে, ভোটার ইনফরমেশন স্লিপ বা VIS-এর মাধ্যমে ভোটাররা সহজেই নিজেদের ভোটকেন্দ্র এবং সিরিয়াল নম্বর সম্পর্কিত তথ্য জানতে পারবেন।

Election live updates : ৭ জেলা, ১৪২ বিধানসভা আসনে ভোট আজ ! কোন কোন কেন্দ্র থেকে সকালেই এল বড় খবর?

এই স্লিপে থাকছে—

Continues below advertisement
  • সিরিয়াল নম্বর ও ভোটকেন্দ্রের সঠিক তথ্য
  • পার্ট নম্বর শনাক্ত করার সুবিধা
  • সহজ শনাক্তকরণ ও দ্রুত ভোটদানের সুবিধা

এছাড়াও QR কোড যুক্ত নতুন ব্যবস্থার মাধ্যমে ভোটারদের তথ্য আরও দ্রুত যাচাই করা সম্ভব হবে বলে জানানো হয়েছে।নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, ভোটার ইনফরমেশন স্লিপ শুধুমাত্র তথ্য জানার জন্য ব্যবহার করা যাবে। এটি পরিচয়পত্র হিসেবে গণ্য হবে না।

ভোট দিতে গেলে কোন কোন পরিচয়পত্র গ্রহণযোগ্য?

নির্বাচন কমিশনের নির্দেশিকা অনুযায়ী, ভোটার কার্ড না থাকলেও নির্দিষ্ট ১২ ধরনের নথির মধ্যে যে কোনও একটি দেখিয়ে ভোট দেওয়া যাবে।

গ্রহণযোগ্য নথিগুলি হল—

  • আধার কার্ড
  • এমজিএনআরইজিএ জব কার্ড
  • ছবি-সহ ব্যাঙ্ক বা পোস্ট অফিসের পাসবই
  • স্বাস্থ্য বিমা প্রকল্পের স্মার্ট কার্ড
  • ড্রাইভিং লাইসেন্স
  • প্যান কার্ড
  • শ্রম মন্ত্রকের স্মার্ট কার্ড
  • ভারতীয় পাসপোর্ট
  • ছবি-সহ পেনশন সংক্রান্ত নথি
  • কেন্দ্র বা রাজ্য সরকারের কর্মচারী পরিচয়পত্র
  • এমপি/এমএলএ/এমএলসি পরিচয়পত্র
  • UDID কার্ড (প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য)

ভোটারদের উদ্দেশে কমিশনের বার্তা

নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ভোটারদের যাতে কোনও সমস্যার সম্মুখীন হতে না হয়, তার জন্য আগেভাগেই প্রয়োজনীয় নথি সঙ্গে রাখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে ভোটের দিন শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে প্রশাসন সর্বদা সতর্ক থাকবে বলেও জানানো হয়েছে।

ভোটারদের সুবিধার্থে টোল-ফ্রি নম্বর ১৮০০-৩৪৫-০০০৮ এবং সরকারি ওয়েবসাইটের মাধ্যমেও তথ্য জানার সুযোগ রাখা হয়েছে।