পূর্ব মেদিনীপুর:দাদা দাঁড়িয়েছেন নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুরে। আর এগরায় বিজেপির প্রার্থী করেছে শুভেন্দু অধিকারীর ভাই দীব্যেন্দু অধিকারীকে।  পদ্ম ফোঁটাবে এবার অধিকারী পরিবার ? প্রার্থী পদ পেয়ে কী বলছেন দিব্যেন্দু ?

Continues below advertisement

আরও পড়ুন,"এবারের লড়াই BJP-র জেতার লড়াই না..."! কেন বললেন এন্টালির বিজেপি প্রার্থী প্রিয়ঙ্কা টিবরেওয়াল ?

Continues below advertisement

দিব্যেন্দু বলেন, 'এই ১৫ বছরের যে অপশাসন, তৃণমূল সরকারের যে শাসন সেখান থেকে বাংলার মানুষ নিষ্কৃতি পেতে চাইছে। আমাদের নেতা নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে ডবল ইঞ্জিন সরকার গড়ার লক্ষ্যে দল আমাকে মনে করেছে এগরার বিধানসভার প্রার্থী করেছে। আমি দল, সর্বোচ্চ নের্তৃত্ব, কেন্দ্রীয় সভাপতি, রাজ্য সভাপতি, সকলের কাছে আমি কৃতজ্ঞ।আমার থেকেও হয়তো যোগ্য লোক ছিল এগরা বিধানসভা কেন্দ্রে। দল আমাকে মনোনয়ন দিয়েছে। আমি সকলের কাছে আবেদন রাখব। সবাই এক হয়ে আমরা,  আগামীদিনে এগরা থেকে এমন এখটা রেকর্ড মার্জিনে...কারণ অতীতে এগরা ২০০৬ সালে শিশির অধিকারী বিধায়ক ছিলেন। আর এগরা আমার কাছে....আমি এগরার ভূমিপুত্রই বলা চলে। আমর পিতৃভূমি। পিতৃদেবের জন্মস্থান। ..স্বাভাবিক কারণে আমি এগরা বাইরের লোক নয়।আমি ঘরের ছেলে, আমি আবার ঘরেই এসেছি।' বললেন দীব্যেন্দু অধিকারী।

প্রসঙ্গত, নন্দীগ্রামের পরে এবার ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-শুভেন্দু  অধিকারী দ্বৈরথ। দুই মহারথীর নামেই এলাকায় শুরু হয়ে গেছে দেওয়াল লিখন। '৩৬৫ দিন মানুষের সঙ্গে থাকি। মানুষের প্রতি বিশ্বাস আছে'। প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে বললেন তৃণমূল নেত্রী। বিজেপির হুঙ্কার, নন্দীগ্রামের রিপিট টেলিকাস্ট হবে ভবানীপুরেও। ভবানীপুর মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আমার কাছে এটা একদিনের লড়াই নয়, ৩৬৫ দিন মানুষের সঙ্গে থাকি।' আবার হেভিওয়েট ডুয়েল। মহারথীরা একই। শুধু বদলে গেল মহা সংগ্রামের ভরকেন্দ্র।৫ বছর বাদে আরও এক মহাকাব্য়িক লড়াইয়ের সাক্ষী হতে চলেছে রাজ্য়বাসী। এবার 'স্পটলাইট' ভবানীপুরে। সেখানে তৃণমূলের প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হল ওই কেন্দ্রেরই বর্তমান বিধায়ক ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম।অন্যদিকে বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী। অর্থাৎ, ২০২১ এর পর আরও একবার সম্মুখ সমরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও শুভেন্দু অধিকারী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, আমার মানুষের প্রতি বিশ্বাস আছে, আমি ৩৬৫ দিন কাজ করি। দুর্গাপুজো থেকে শুরু করে কালীপুজো থেকে শুরু করে মানস্তম্ভ থেকে শুরু করে ইদ থেকে শুরু করে, আমি সবকটা দায়িত্ব এবং দায়বদ্ধতা, সারা বছর, ৩৬৫ দিন ধরে পালন করি।