পশ্চিমবঙ্গে অবাধ, নিরাপদ এবং সুষ্ঠু ভোট করাতে তৎপর নির্বাচন কমিশন। প্রথম দফার ভোটের ২ দিন আগে কড়া বার্তা দিলেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকারিক জ্ঞানেশ কুমার। দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার বার্তা দিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গে এবারের ভোট যাতে অবাধ, সুষ্ঠু ও স্বচ্ছভাবে হয়, তা নিশ্চিত করতে সবরকম চেষ্টা করবে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন হবে ভয়মুক্ত, হিংসামুক্ত, প্রলোভনমুক্ত, ছাপ্পামুক্ত, বুথ দখলমুক্ত। তিনি আরও বলেছেন, রাজ্য সরকার, স্থানীয় সংস্থা বা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কোনও কর্মী যেন নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত না করেন। পশ্চিমবঙ্গের প্রতিটি ভোটার যেন নির্ভয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। 

Continues below advertisement

'অবাধ-শান্তিপূর্ণ ভোটের জন্য কোনও কিছুতেই ছাড় নয়। পশ্চিমবঙ্গে এবার ভোট হবে অবাধ-শান্তিপূর্ণ-স্বচ্ছ', প্রথম দফার ভোটের ২দিন আগে কড়া বার্তা CEC-র। 'স্বচ্ছতার প্রশ্নে কোনও আপস করবে না নির্বাচন কমিশন। ছাপ্পা ভোট, সন্ত্রাস, বুথ দখল-কোনও কিছুতেই ছাড় নয়। প্রভাব খাটাতে পারবেন না কোনও রাজ্য সরকারি কর্মীও। নির্ভয়ে ভোট দিতে পারবেন রাজ্যের সমস্ত ভোটাররা', পশ্চিমবঙ্গের ভোট নিয়ে কড়া বার্তা মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের। 

Continues below advertisement

এবার নজিরবিহীনভাবে ভোটের দিন ঘোষণারও আগে রাজ্যে চলে এসেছিল কেন্দ্রীয় বাহিনী। কলকাতা ও জেলায় নিয়মিত টহল দিতে দেখা যাচ্ছে তাঁদের। তারপর কাশ্মীর থেকে আনা হয়েছে বুলেটপ্রুফ সাঁজোয়া গাড়ি, যা দেখে অনেকে বলছেন, বার্তাটা পরিষ্কার। পশ্চিমবঙ্গে হিংসা-মুক্ত ভোট করাতে নির্বাচন কমিশন এবার মরিয়া। 

নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, এবার আর পুলিশের উপর পুরোপুরি ভরসা করা হবে না। ইতিমধ্যেই নিরাপত্তার স্বার্থে বুথের ১০০ মিটারে লক্ষ্মণরেখা কাটার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। সূত্রের খবর, সেই ১০০ মিটারের মধ্যে সমস্ত নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। পুলিশের ভূমিকা থাকবে শুধুমাত্র ভোটারদের লাইন নিয়ন্ত্রণ করার কাজে। নিজের মতো কাজ করবে কেন্দ্রীয় বাহিনী, পুলিশ শুধুমাত্র গাইড করবে। এমনকী কোথাও গন্ডগোলের খবর পেলে, জওয়ানরা যাতে অলি-গলিতে পৌঁছে যেতে পারেন, তার জন্য তাঁদেরকে মোটরবাইক দেওয়া হবে। পুরো পরিস্থিতিতে নজর রাখবেন কেন্দ্রীয় পুলিশ পর্যবেক্ষকরা।