West Bengal Assembly Election 2026: পশ্চিমবঙ্গের ভোটে বাহিনী নিয়ে কড়া নির্বাচন কমিশন। একছাতার তলায় কাজ করতে হবে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে। সেই ব্যবস্থা করছে নির্বাচন কমিশন। প্রতি জেলায় থাকবে ডিস্ট্রিক্ট ফোর্স কো-অর্ডিনেটর। একসঙ্গে কাজ করতে হবে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে, বার্তা দিতে বৈঠক করবেন সংশ্লিষ্ট বাহিনীর DG-রা। ভোটের আগে রাজ্যে এসে বৈঠক করবেন সংশ্লিষ্ট বাহিনীর DG-রা। সব মিলিয়ে রাজ্যে আড়াই হাজার কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী আসছে। কোনও রাজনৈতিক দলের আতিথেয়তা যেন কোনও গ্রহণ না করে, স্পষ্ট বার্তা দেবে কমিশন। 

Continues below advertisement

বিভিন্ন সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে, পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের জন্য প্রায় আড়াই হাজার কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী ভারতে আসতে চলেছে। এই বিপুল পরিমাণ বাহিনী কোনও নির্দিষ্ট একটি ফোর্স থেকে আসবে না। বিভিন্ন বাহিনী থেকে আসবে। কিছু আসবে সিআরপিএফ থেকে। কিছু আসবে বিএসএফ থেকে। কিছু আসবে সিআইএস থেকে। এই বিভিন্ন কেন্দ্রীয় বাহিনী আসবে রাজ্যে। আলাদা আলাদা বাহিনী, স্বভাবতই ময়দানে কাজ করে আলাদা আলাদা ভাবেই। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের ভোটের সময় বিভিন্ন কেন্দ্রীয় বাহিনী থেকে জওয়ানরা রাজ্যে আসার পর যেন একত্রিত হয়ে, সঙ্ঘবদ্ধ হয়ে কাজ করেন, তার জন্যই কড়া বার্তা দিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। বিশেষ ব্যবস্থাও নেওয়া হচ্ছে। 

একজন করে ডিস্ট্রিক্ট ফোর্স কো-অর্ডিনেটর তৈরি করা হবে। তাদের মাধ্যমে একসঙ্গে কাজ করবে সমস্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী। জেলাভিত্তিক ভাবে বিভিন্ন বাহিনীর ফোর্স একছাতার তলায় কাজ করবে। নিজেদের মধ্যে কাজ করতে গিয়ে যাতে বিভিন্ন বাহিনীর কোনও অসুবিধা না হয়, তার জন্যই তৈরি করা হয়েছে এই ডিস্ট্রিক্ট ফোর্স কো-অর্ডিনেটর। যে সমস্ত কেন্দ্রীয় বাহিনীর ফোর্স রাজ্যে আসবে, তাদের ডিজি- রা ভোটের আগে পশিচমবঙ্গে আসবেন। নিজেদের মধ্যে বৈঠক করে পুরো বাহিনীকে তাঁরা বার্তা দেবেন। অর্থাৎ মূল উদ্দেশ্য হল, সিআরপিএফ, বিএসএফ, সিআইএসএফ এবং অন্যান্য আরও যেসব কেন্দ্রীয় বাহিনী থেকে ফোর্স রাজ্যে আসবে, তারা যেন একসঙ্গে সফলভাবে কাজ করতে পারে, সেইদিকে নজর রাখা। 

Continues below advertisement

কোনও রাজনৈতিক দলের থেকে আসা কোনও রকম আতিথেয়তা যেন কোনও কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্যরাই না নেন, সেই বার্তাও দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। কেন্দ্রীয় বাহিনীর জন্য থাকা-খাওয়ার বন্দোবস্ত সেভাবেই করতে হবে কমিশন এবং রাজ্যের প্রশাসনকে, যাতে তাদের অন্য কারও উপর নির্ভর করতে না হয় এবং তারা ভোটের সময় সুষ্ঠু ভাবে কাজ করতে পারে।