কলকাতা : পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে এবার শেষ হাসি কে হাসবে ? ৪ মে তা নির্দিষ্টভাবে জানা যাবে। কিন্তু, তার আগে এনিয়ে চর্চা জারি রয়েছে। ভোটের ফলাফল নিয়ে কৌতূহলবশতই AI-এর সাহায্য নিয়ে বিশেষ সমীক্ষা চালিয়েছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন নির্বাচনী আধিকারিক দেবাশিস সেন। তাতে যে ফলাফল উঠে এসেছে তা অত্যন্ত চমকপ্রদ।

Continues below advertisement

কীভাবে চালানো হয় সমীক্ষা, কী ফল-ই বা তাতে উঠে এসেছে ?

এক্ষেত্রে ২ টো পদ্ধতি অবলম্বন করেছেন দেবাশিস সেন। Chat GPT GO-এর মাধ্যমে বুধবার বেলা ১২টায় পাওয়া সমীক্ষা রিপোর্ট অনুযায়ী ( প্রাক্তন নির্বাচনী আধিকারিক দেবাশিস সেনের করা সমীক্ষা)- তৃণমূল পেতে পারে ১৪৮ থেকে ১৬৫টি আসন (শতাংশের বিচারে ৪৩ শতাংশ-৪৪ শতাংশ)। অন্যদিকে, বিজেপি পেতে পারে ১২৫ থেকে ১৪২টা আসন (৪২ শতাংশ থেকে ৪৩ শতাংশ)।

Continues below advertisement

প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় মোট আসন- ২৯৪। ম্যাজিক ফিগার-১৪৮। আরও একটি রুটে সমীক্ষা চালান প্রাক্তন নির্বাচনী আধিকারিক। দেবাশিস সেনের সেই সমীক্ষা ( Gemini Pro- বুধবার দুপুর ১টায় পাওয়া সমীক্ষার রিপোর্ট) অনুযায়ী, তৃণমূল পেতে পারে ১৬৫ থেকে ১৮২টি আসন (শতাংশের বিচারে ৪৫ শতাংশ)। অন্যদিকে, বিজেপি পেতে পারে ৯২ থেকে ১০৮টি আসন (শতাংশের বিচারে ৪২ শতাংশ)।

এর আগে গত ২৪ মার্চ এবিপি আনন্দর 'মহাযুদ্ধ'-র অনুষ্ঠানে রাজ্যের প্রাক্তন নির্বাচনী আধিকারিক দেবাশিস সেন পোডিয়ামে দাঁড়িয়ে জানিয়েছিলেন, AI প্রযুক্তির মাধ্যমে এই সমীক্ষা করেছেন। সেই সমীক্ষার ফলাফল জানতে এবিপি আনন্দর নিউজ ডেস্কে ফোন করে অনেকেই আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন। সেদিন ঠিক কী বলেছিলেন দেবাশিস সেন ?

তিনি বলেছিলেন, "যে যুদ্ধটা হচ্ছে প্রতি মুহূর্তে এআই-এর মাধ্যমে কতটুকু ইনফ্লুয়েন্স করছে সেটা দেখা যায়। কৌতূহলবশত আমি ইন্টারন্যাশনাল বেটিং সার্কেল সম্পর্কে এআই কী বলছে সেটা দেখার চেষ্টা করলাম। ভারতে ভোট নিয়ে কোনও বেটিং করা যায় না। কিন্তু, বিদেশে বিট কয়েন নিয়ে বা ক্রিপ্টো কারেন্সি নিয়ে করা যায়। ফলাফল বলছি না। কিন্তু, কত অডস দিচ্ছে। কে জিতবে পশ্চিমবঙ্গে ? সেখান থেকে একটা আঁচ পেলাম। মজার ব্যাপার আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করতে চাই, সেখানে দেখাচ্ছে ডিসেম্বর, জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি...একটা ধারা বেরোচ্ছে। ট্রেন্ড কিন্তু পাল্টাচ্ছে। দলের নাম ধরে ওরা বলছে, এই সার্কেলের স্পেকুলেশন হচ্ছে...চেঞ্জ হচ্ছে এবং যেভাবে ব্রিটিশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী একসময় বলেছিলেন, এক সপ্তাহ রাজনীতিতে অনেক সময়। শেষ পর্যন্ত কী হবে সেটা সত্যিই কেউ জানে না।"